চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

ইয়াবা মামলায় মৃত্যুদণ্ড, ৬ বছর পর জানা গেল আসামি ‘অন্য ব্যক্তি’!

চ্যানেল আই অনলাইন চ্যানেল আই অনলাইন
১:৩৫ অপরাহ্ণ ১২, আগস্ট ২০২৬
- সেমি লিড, অপরাধ, কক্সবাজার
A A
ছবি: সংগৃহীত।

ছবি: সংগৃহীত।

কক্সবাজারে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবা উদ্ধারের মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এক আসামিকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিশ। মামলার নথিতে যাকে ‘সোনা মিয়া’ হিসেবে উল্লেখ করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, বর্তমানে কারাগারে থাকা সেই ব্যক্তি দাবি করছেন, তিনি ওই মামলার আসামিই নন। পুলিশের তদন্তেও উঠে এসেছে, ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া ‘সোনা মিয়া’ এবং ২০২৬ সালে মৃত্যুদণ্ডের পর গ্রেপ্তার হওয়া সোনা মিয়া একই ব্যক্তি নন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) রাতে কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী এ তথ্য জানান।

আদালতের নির্দেশে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশের দাখিল করা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২০ সালে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তির প্রকৃত নাম রমজান। তিনি অন্য একজনের জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে নিজেকে সোনা মিয়া পরিচয় দিয়েছিলেন। তবে ওই মামলায় তাকেই সোনা মিয়া হিসেবে আসামি করে বিচার চলে এবং পরে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়।

Banglabid

অন্যদিকে, রায়ের পর গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে কারাগারে থাকা প্রকৃত সোনা মিয়া দাবি করেছেন, তিনি ওই ইয়াবা মামলার সঙ্গে জড়িত নন। তার আবেদনের পর আদালতের নির্দেশে পুলিশ তদন্ত করলে ২০২০ সালের গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও ২০২৬ সালে গ্রেপ্তার সোনা মিয়ার পরিচয়, শারীরিক গঠন ও পারিবারিক তথ্যে ব্যাপক অমিল পাওয়া যায়।

ঘটনার সূত্রপাত ২০২০ সালের ২ মার্চ। ওইদিন কক্সবাজার জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) অভিযান চালিয়ে ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবাসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার এজাহারে দ্বিতীয় আসামি হিসেবে ‘সোনা মিয়া’, পিতা নজির আহমদ, কক্সবাজার পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবদিয়াপাড়া এবং স্থায়ী ঠিকানা রামু উপজেলার গর্জনিয়া উল্লেখ করা হয়।

তবে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তৎকালীন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মানস বড়ুয়া ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে আদালতে দেওয়া অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, দ্বিতীয় আসামি সোনা মিয়ার নাম-ঠিকানা যাচাই করে সঠিক পাওয়া যায়নি। কক্সবাজার সদর ও রামু থানা পুলিশ দিয়ে অনুসন্ধান করেও তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ কারণে তাকে কারাগারে রেখে পরবর্তী বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হয়।

Reneta

নথি অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৩ জুন ‘সোনা মিয়া’ কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত থেকে জামিন পান। জামিনে বের হওয়ার পর তিনি আত্মগোপনে চলে যান। পরে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আদালত মামলার পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

রায়ের পর গত ২৩ জুন র‌্যাব-১৫-এর এক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসারের পরোয়ানার ভিত্তিতে ‘সোনা মিয়াকে’ গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে কক্সবাজার জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।

কারাগারে যাওয়ার দুই-তিন দিন পর বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। কারাগারে থাকা সোনা মিয়া জেল সুপারের কাছে লিখিত আবেদন করে জানান, তিনি ওই মামলার আসামি নন। পরে জেল সুপার বিষয়টি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালতকে জানান। আদালত বিষয়টি যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য কক্সবাজার সদর থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন।

গত ২ জুলাই আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে সদর থানা পুলিশ। এতে বলা হয়, ২০২০ সালে ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি এবং ২০২৬ সালের ২৩ জুন গ্রেপ্তার হওয়া সোনা মিয়া একই ব্যক্তি নন। ২০২০ সালে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি নিজের পরিচয় গোপন করে সোনা মিয়ার জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করেছিলেন। তার প্রকৃত নাম রমজান।

পুলিশের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রমজান ও সোনা মিয়া একই সময়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করতেন। পরে ক্যাম্প থেকে পালিয়ে তারা কক্সবাজার শহরের কুতুবদিয়াপাড়ায় একই ঘরে বসবাস করেন। একপর্যায়ে সোনা মিয়ার জন্মনিবন্ধন কার্ড রমজানের কাছে থেকে যায়। সেই জন্মনিবন্ধনের ফটোকপি দেখিয়ে রমজান নিজেকে সোনা মিয়া হিসেবে পরিচয় দেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

দুই সময়ের কারাগারে সংরক্ষিত তথ্যেও বড় ধরনের অমিল পাওয়া গেছে। ২০২০ সালে গ্রেপ্তার ব্যক্তির মায়ের নাম সোনারা বেগম, স্ত্রীর নাম আয়েশা। তার দুই ছেলে ও দুই মেয়ে ছিল। উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৩ ইঞ্চি এবং ওজন ৫০ কেজি। শনাক্তকরণ চিহ্ন হিসেবে বাম ও ডান গালে এবং ডান বাহুতে ক্ষত থাকার কথা উল্লেখ ছিল।

অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ২৩ জুন গ্রেপ্তার সোনা মিয়ার মায়ের নাম মাহমুদা খাতুন এবং স্ত্রীর নাম জান্নাতুল ফেরদৌস। তার এক ছেলে ও তিন মেয়ে। ছেলের নাম ওমর ফারুক এবং মেয়ের নাম নাহিদা। তার উচ্চতা ৫ ফুট ১ ইঞ্চি এবং ওজন ৪২ কেজি। শনাক্তকরণ চিহ্ন হিসেবে ডান বাহুতে, পেটের বাম পাশে ও পিঠের মাঝখানে তিল থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় তদন্ত ও জামিন প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। কারণ তদন্তকারী কর্মকর্তা অভিযোগপত্রেই যখন উল্লেখ করেছিলেন যে সোনা মিয়ার নাম-ঠিকানা সঠিক নয়, তখন কীভাবে ওই পরিচয়ে থাকা ব্যক্তি আদালত থেকে জামিন পেলেন এবং পরে তার বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

কক্সবাজার জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি মো. আব্দুল মান্নান বলেন, মামলা দায়ের থেকে অভিযোগপত্র দাখিল পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়ায় তদন্তকারী কর্মকর্তার চরম গাফিলতি রয়েছে বলে প্রতীয়মান হয়। কোনো ব্যক্তি অন্যের জন্মনিবন্ধন ব্যবহার করে পরিচয় দিলে তা যাচাই করা তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব। কিন্তু এ ক্ষেত্রে প্রকৃত পরিচয় শনাক্ত না করেই অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, সোনা মিয়ার প্রকৃত নাম যে রমজান, সেটিও তদন্তে বের করা হয়নি। ফলে প্রকৃত আসামি জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। পরে তার পরিবর্তে প্রকৃত সোনা মিয়াকে খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এটি অত্যন্ত গুরুতর বিষয়।

তিনি আরও বলেন, আদালতের নির্দেশে পুলিশের প্রতিবেদনে ২০২০ ও ২০২৬ সালের দুই ব্যক্তির তথ্যের মধ্যে পার্থক্য উঠে এসেছে। এখন আদালতের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে বিষয়টির আইনগত নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি।

মামলায় গ্রেপ্তার সোনা মিয়ার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস বলেন, তার স্বামী কখনো কোনো মামলায় জড়াননি এবং কারাগারেও যাননি। হঠাৎ র‌্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানোর পর তারা জানতে পারেন, ১ লাখ ৯০ হাজার ইয়াবার একটি মামলায় তার মৃত্যুদণ্ড হয়েছে।

তার দাবি, তার স্বামী রোহিঙ্গা নন, রামুর বাসিন্দা। কুতুবদিয়াপাড়ায় থাকার সময় রমজান নামের এক রোহিঙ্গার সঙ্গে তার বন্ধুত্ব ছিল। ওই রমজানই ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার হয়েছিল বলে তারা জানতেন। অথচ এখন সেই মামলায় তার স্বামীকে আসামি করা হয়েছে।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী আদালতের নির্দেশে পুলিশ প্রতিবেদন দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বুধবার (১২ আগস্ট) মামলায় সোনা মিয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশের দাখিল করা প্রতিবেদন নিয়ে আদালতে আদেশ হওয়ার কথা রয়েছে।

এখন আদালতের আদেশের দিকে তাকিয়ে আছেন কারাগারে থাকা সোনা মিয়া ও তার পরিবার। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, আসল রমজান কোথায় এবং তার পরিবর্তে কেন সোনা মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডের আসামি হিসেবে কারাগারে থাকতে হচ্ছে? মামলার তদন্ত, আসামির পরিচয় যাচাই এবং জামিন পাওয়ার পুরো প্রক্রিয়ায় কার গাফিলতি ছিল, সেটিও খতিয়ে দেখার দাবি উঠেছে।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: চাঞ্চল্যকর তথ্যরমজানের অপরাধসোনা মিয়ার মৃত্যুদণ্ড
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তোলার খবরটি গুজব: তথ্যমন্ত্রী

আগস্ট ১২, ২০২৬
(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের তালিকা ও মূল্য: সিদ্ধান্ত নয়, প্রয়োজন জনস্বার্থের

আগস্ট ১২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত।

দেড় ঘন্টা বন্ধ থাকার পর ঢাকা-ময়মনসিংহ রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

আগস্ট ১২, ২০২৬
ছবি: প্রতিনিধি।

ইটভাটায় যুবদল নেতার গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

আগস্ট ১২, ২০২৬

এআই ও প্রযুক্তির রূপান্তরের যুগে তরুণরাই সভ্যতার মূল শক্তি: তথ্যমন্ত্রী

আগস্ট ১২, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT