ঈদের সকালে বাংলাদেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের হতাশই করেছে টিম টাইগার্স। সুপার এইটে যাওয়ার লক্ষ্যে নেপালের বিপক্ষে খেলতে নেমে বড় ভিত গড়তে পারেনি নাজমুল হোসেন শান্তর দল। নেপালি বোলারদের দাপটে টেনেটুনে একশ রান পার করে অলআউট হয়েছে।
সেন্ট ভিনসেন্টে সোমবার ভোরে টস হেরে ব্যাটে নেমে শুরুটা একদমই ভালো হয়নি শান্তদের। ১৯.৩ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১০৬ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশ। জয়ের জন্য নেপালের দরকার ১০৭ রান।
ম্যাচে জয় পেলে নির্বিঘ্নে সুপার এইটে পা রাখবে টিম টাইগার্স। হেরে গেলে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে রানরেট, অন্য ম্যাচে ডাচরা যদি বড় ব্যবধানে লঙ্কানদের হারাতে পারে ঘটতে পারে বিপদ।
ব্যাটে নেমে প্রথম বলেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সোমপাল কামির বলে ফিরতি ক্যাচে শূন্য রানে আউট হন ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম। ওই ওভারে আরও একটি উইকেট পাওয়ার সম্ভাবনা জাগিয়েছিল নেপাল। লিটন দাসকে এলবিডব্লিউ দেয়া হলে রিভিউ নিয়ে বাঁচেন।
লিটন রিভিউ নিয়ে বাঁচলেও পরের ওভারে আউট হন শান্ত। দীপেন্দ্র সিং আইরির বলে ৪ রান করে বোল্ড আউট হয়ে ফিরে যান তিনি। দলীয় ২১ রানের মাথায় সোমপালের তুলে নেন লিটন দাস এর মূল্যবান উইকেটটি। ১২ বলে ১০ রান করে সাজঘরের পথ ধরে লিটন। খানিক পর ৯ বলে ৭ রান করে ফিরে যান তাওহীদ হৃদয়।
৩০ রানের আগে টপাটপ উইকেট হারিয়ে যখন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ জুটি চাপ সামাল দেয়ার চেষ্টা করছিলেন, তখন আরও একটি উইকেট হারায় বাংলাদেশ। এবার রানআউট হয়ে ফেরেন বিশ্বকাপে ছন্দে থাকা অলরাউন্ডার মাহমুদউল্লাহ। ১৩ বলে ১৩ রান করেন তিনি।
ঈদের সকালে হতাশার দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ফিরে যান সাকিবও। অধিনায়ক রোহিত পাউডেলের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। ২২ বলে ১৭ রান আসে দেশসেরা অলরাউন্ডারের ব্যাট থেকে। ৬১ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা তখন শান্ত বাহিনী।
তানজিম হাসান সাকিব (৩), জাকের আলী অনিক (১২), রিশাদ হোসেন ১৩ রানে আউট হলে শেষদিকে তাসকিন ও মোস্তাফিজুর রহমানের ব্যাটে ভর করে কোনরকমে একশ পার করে বাংলাদেশ।
নেপালের হয়ে রোহিত, সোমপাল, দীপেন্দ্র সিং আইরি ও সন্দীপ লামিচানে ২টি করে উইকেট শিকার করেন।







