প্রায় সময় নতুন বলে ইনিংস শুরু করতে দেখা যায় সোহাগ গাজীকে। জাতীয় দল থেকে বহুদিন ধরে দূরে রয়েছেন তিনি। বিপিএলের গত দুই আসরেও ছিলেন না। এবারের বিপিএলে ফিরেছেন দুর্বার রাজশাহীর জার্সিতে। চলতি আসরে দলটি খুব একটা সুবিধাজনক স্থানে নেই দলটি। ঢাকা পর্বে তিন ম্যাচে জিতেছে কেবল একটিতে। সিলেট পর্বে এসে ঘুরে দাঁড়াতে চায় দলটি। সেইসঙ্গে প্রতিপক্ষ নতুন ইংনিস শুরু করে আটকাতে চান সোহাগ গাজী।
সোমবার সিলেট পর্বের শুরুর দিনে সন্ধ্যার ম্যাচে ফরচুন বরিশালের মুখোমুখি হচ্ছে রাজশাহী। তার আগের দিন সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের আউটারে অনুশীলন সেরেছে দলটি। পরে সংবাদ সম্মেলনে এসে এমনটা জানান সোহাগ গাজী।
নতুন বলে ইনিংস শুরুর বিষয়ে অভিজ্ঞ এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘আগেও এই কাজগুলো করেছি আন্তর্জাতিক, বিপিএল, ঘরোয়াতে। নতুন বলে আমার ওপর ওই বিশ্বাসটা আছে বলেই হয়ত আমি নতুন বলে শুরু করি। চেষ্টা থাকবে কালকেও যদি নতুন বল পাই অবশ্যই চেষ্টা থাকবে তাদেরকে আটকানোর।’
বাঁহাতি ব্যাটারদের অফ স্পিন খেলতে একটু সমস্যা থাকে। কিন্তু আমি বলব সবদিকেই স্পিনারদের চ্যালেঞ্জ নেয়া উচিত, বিশেষ করে অফ স্পিনারদের সেটা ডানহাতি হোক বাঁহাতি হোক। ভালো একটা জায়গায় বল করলে বিশ্বের যেকোন ব্যাটারেরই সমস্যা হবে।’
মাঝের ২ বছর বিপিএল খেলেননি সোহাগ। টুর্নামেন্ট শুরুর কয়েকদিন পর তাকে দলে নেয় রাজশাহী। এ নিয়ে সোহাগ বলেন, ‘ভালো লাগারই কথা, কারণ প্রায় দুই বছর আমি বিপিএল খেলিনি। সেই হিসেবে ধন্যবাদ দিব রাজশাহীর মালিকদের আমাকে সুযোগটা করে দেয়ার জন্য। এসে প্রথম ম্যাচ খেলেছি, অবশ্যই ভালো লাগার মতোই। যদি জিততাম তাহলে আরও ভালো লাগতো।’
এনসিএল টি-টুয়েন্টি নিয়ে সোহাগ বলেন, ‘এটা তো ভালো একটা উদ্যোগ ছিল বিসিবির। আমাদের স্থানীয়দের জন্য একটা টুর্নামেন্ট করেছে। এটা আমাদের সহায়তা করেছে, এনসিএল টি-টোয়েন্টির পর অনেক খেলোয়াড়ই অনেক দলে যুক্ত হয়েছে। আমি মনে করি আমার জন্যও এটা কাজে দিয়েছে। এনসিএল টি-টোয়েন্টি দেখার পর হয়ত মনে করেছে আমাকে দরকার আছে দলে। আমি বলব এটা ভালো উদ্যোগ। এটা যদি চালু রাখে বিসিবি তাহলে আমি মনে করি আমাদের স্থানীয় ক্রিকেটারদের জন্য আরও সুযোগ বাড়বে।’







