ঘুমের মধ্যে হাত-পা ছুঁড়া, কথা বলা বা চিৎকার করা হলো পারকিনসন্স রোগের পূর্বাভাস। এটি মূলত স্নায়ুর অধঃপতনজনিত একটি রোগ। স্নায়ুরোগের মধ্যে অ্যালঝাইমার পর সবচেয়ে বেশি মানুষ এ রোগে আক্রান্ত হয়। বিশ্বে মোট ১০ মিলিয়ন মানুষ বর্তমানে এই রোগে আক্রান্ত।
মস্তিষ্কের নিউরনই ব্যক্তির অঙ্গপ্রত্যঙ্গ চলাফেরা বা কাজ করার ইঙ্গিত সরবরাহ করে থাকে। যখন নিউরনগুলো নিষ্ক্রিয় হতে শুরু করে, তখন ডোপামাইনের উৎপাদন কমে যায়। ডোপামাইনের অভাবে নিউরনের মধ্যকার যোগাযোগ হ্রাস পেতে থাকে এবং ব্যক্তি পারকিনসন্স রোগের শিকার হনে।
নারীদের তুলনায় পুরুষরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হয়। সাধারণত ষাটোর্ধ্ব বয়সে এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
পারকিনসন্স এর লক্ষণ
১. হাত এবং পায়ে কাঁপুনি হয়।
২.শরীরের একপাশের হাত এবং পা স্বাভাবিকের তুলনায় শক্ত হয়ে যায়।
৩.চলাফেরার গতি ধীর হয়ে যায়।
৪.কেউ আক্রান্ত হলে শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে না পারায় সামনের দিকে ঝুঁকে হাঁটতে দেখা যাবে।
৫.কণ্ঠ বা কথার স্বর নীচু হতে পারে বা কমে যেতে পারে।
৬.এমনকি চোখের পাতার নড়াচড়াও কমে যেতে পারে।
৭.শরীরের ভারসাম্য ধরে রাখতে সমস্যা হওয়ায় আক্রাত ব্যক্তি বার বার পড়ে যেতে পারেন।
৮.এছাড়া হতাশা, উদ্বেগ, উদাসীনতা ঘুম কমে যাওয়া এধরনের লক্ষণ দেখা দেয়। তাছাড়া
৯.কোষ্ঠ কাঠিন্য এবং প্রস্রাব আটকে যাওয়ার মতো সমস্যাও হতে দেখ্ যায়।
পারকিনসন্স রোগ পুরোপুরি ভালো হওয়ার কোনো নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তবে ওষুধ ও জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনার মাধ্যমে এ রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।






