বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ এক জনযুদ্ধ। কেউ যুদ্ধ করেন ময়দানে, কেউ রান্নাঘর, জায়নামাজ, তুলসিতলায়। শহীদ রুমী, আজাদ, বদি, মিরাশের মা হয়ে ওঠেন দেশের মা। তারা যেমন এই দেশের, তেমনি এই দেশের মাটি তাদের সন্তান। তারা কোথাও যান না। তাদের সত্যিকারের সন্তানেরাও না।
এবার জনযোদ্ধাদের সন্তানরা জানুক- অপশক্তি নির্মূল করার লড়াইয়ে কোন রানার-আপ নেই। পরাজিত হলে এই পশুরা গৌরবময় স্বাধীনতার ইতিহাস কলঙ্কিত করে ফেলবে।
এই বাংলার প্রেমে, পরাধীনতা, শোষণ, বঞ্চনা থেকে মুক্তির ডাক দেওয়া নেতা উঠে আসেন টুঙ্গিপাড়া গ্রাম থেকে। নিজের প্রাণ তুচ্ছ করে শোষককে বলেন, ‘৭ কোটি মানুষকে দাবায়ে রাখতে পারবা না।’ আর সেই হুঙ্কারে নিরন্ন নিরস্ত্র শরীরগুলোতে যোদ্ধার প্রাণ প্রতিষ্ঠা হয়।
‘ন’মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের শেষে মুক্ত হয় হাজার বছরের সংগ্রামের এই দেশ।
এরই ধারাবাহিকতায় বিশিষ্ট আবৃত্তিকার এমং সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রচার সম্পাদক মীর মাসরুর জামান রনির গ্রন্থনা ও নির্দেশনায় ‘স্বরশ্রুতি’র আবৃত্তি প্রযোজনা ‘সবুজ করুণ ডাঙায়’ মঞ্চায়িত হয়েছে।
শনিবার (২১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আবৃত্তি ও নৃত্যকলা কেন্দ্র মিলনায়তনে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজন ও বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ এর সহযোগিতায় ‘শব্দের সড়কে জীবন সাজাই’ পরিবেশনাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানটির আয়োজন করছে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এবং এর সহযোগিতায় থাকছে বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদ। অনুষ্ঠানটি সকলের জন্য উন্মুক্ত ছিল।








