এশিয়া কাপে হাতেনাতে প্রমাণ পেয়েছে পাকিস্তান, দলটির মিডল অর্ডার ঠিকঠাক নেই। কিন্তু টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ১৫ সদস্যের যে দল দিয়েছে, সেখানেও নেই নির্ভরযোগ্য কেউ। তাতে নির্বাচকদের উপর বেশ চটেছেন শোয়েব আকতার। এমন গভীরতাহীন দল নিয়ে পাকিস্তান সেমিফাইনালে উঠবে না, সেই বাজিও ধরে বসেছেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস।
পাকিস্তানের সাবেক ডানহাতি পেসারের ধারণা, বাবর আজমের এই দল বৈশ্বিক আসরটির প্রথম পর্ব অর্থাৎ, সুপার টুয়েলভ থেকেই বাদ পড়বে। নিজের কঠিন এই মন্তব্যের পক্ষে যুক্তিও দেখিয়েছেন। ফখর জামানের মতো ইমপ্যাক্ট ব্যাটারকে না রাখায় প্রধান নির্বাচক মোহাম্মদ ওয়াসিম ও কোচ সাকলায়েন মুশতাককে এক হাত নিয়েছেন শোয়েব।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শোয়েব বোমা ফাটিয়েছেন মিডল অর্ডার ইস্যুতে। কোনো রাখঢাক না রেখেই আঙুল তুলেছেন বোর্ডের দিকে, ‘কি দল দিল পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড! সমস্যা মিডল অর্ডারে, কিন্তু সেটি স্রেফ এড়িয়ে গেল তারা। যেন পণ করে রেখেছে, আমরা যা খুশি সিদ্ধান্ত নেবো, কিন্তু মিডল অর্ডার পরিবর্তন করব না।’
শোয়েবের পছন্দ ফখর জামান। টি-টুয়েন্টিতে বেশকিছুদিন ধরে ধুঁকছেন এ বাঁহাতি। শেষ ১০ ইনিংসে পেয়েছেন একটি ফিফটি আর ১০ বা তার নিচে রান আছে ৫ ইনিংসে, এসময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান আছে তার ব্যাটে। এমন একজন ব্যাটারকে অপরিহার্য মনে করছেন শোয়েব।
ফখর অস্ট্রেলিয়ার কন্ডিশনে ভালো করতেন বলেও দৃঢ় বিশ্বাস শোয়েবের, ‘ফখরকে নিয়ে হাজারও বার বলেছি, তাকে শুরুর ৬ ওভার দাও। অস্ট্রেলিয়া কন্ডিশনে সে দারুণ করবে, কিন্তু বাবর আজমকে উপরেই রেখো।’
রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস খ্যাত পেসারের কথা অবশ্য শোনেননি পাকিস্তান দলের নির্বাচকরা। বিশ্বকাপে অতিরিক্ত খেলোয়াড় হিসেবে দলের সঙ্গে যাবেন ফখর। তাতে জাতীয় দলে সাবেক সতীর্থদের উপর চটেছেন শোয়েব। সাকলায়েনের টি-টুয়েন্টি জ্ঞান নিয়েই তুলেছেন প্রশ্ন। শেষে বলেও দিয়েছেন, এই দল নিয়ে বিশ্বকাপ জেতা তো বহুদূরের চিন্তা, গ্রুপপর্বই পেরোতে পারবে কিনা সেই সন্দেহ তার।
‘এই দল নিয়ে বিশ্বকাপে খেললে প্রথম রাউন্ডেই আমরা বাদ পড়ে যাবো। দলের গভীরতাহীন ব্যাটিং অর্ডার নিয়ে খুবই শঙ্কিত। আমাদের অধিনায়কও ঠিক ফর্মে নেই। সে সবসময় ক্ল্যাসিক কভার ড্রাইভ খোঁজে, নিজেকে ক্ল্যাসিক দেখতে চায়।’







