সাঈদ পান্থ, বরিশাল প্রতিনিধি: ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবেলায় বরিশাল বিভাগের মধ্যে বরিশাল জেলায় ৫৪১টি, পটুয়াখালীতে ৭০৩, ভোলায় ৭৪৬, বরগুনায় ৬৪২, পিরোজপুরে ৪০৭ ও ঝালকাঠিতে ৬২টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রস্তুত রয়েছে বিভাগের ৩৫টি মুজিব কেল্লাও। এসব কেন্দ্রে ১৬ লাখ ৪৯ হাজার ৬০৬ জন মানুষ ও ১২ লাখ ৪১ হাজার ৪৯০ গবাদিপশুর আশ্রয়ের ব্যবস্থা রয়েছে।
আজ শনিবার বিকেলে সার্কিট হাউসের মধুমতি মাল্টিপারপাস হলে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবেলায় সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে বিভাগীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরী সভায় একথা জানানো হয়।
এসময় বিভাগীয় কমিশনার জানান, ২ হাজার ৭০৮ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুদ করা রয়েছে। নগদ অর্থ রয়েছে ৫৯ লাখ ২০ হাজার ৮০৪ টাকা, কম্বল ২০ হাজার ৭শ পিস, টিন ৫৪৩ বান্ডেল, স্বেচ্ছাসেবক ৩৯ হাজার ৪২৫ জন, নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ৪৮টি ও মেডিকেল টিম ৩৫৭টি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ২০টি ‘মোখা’ মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে।
জরুরী সভায় রেঞ্জ ডিআইজি এস এম আক্তারুজ্জামান, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম, শেখ হাসিনা সেনা নিবাসের লেফট্যান্টে কর্নেল হাবিবুর রহমান, জেলা প্রশাসক জাহাঙ্গীর হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যান বিশেষজ্ঞ কবির খান, বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক হুমায়ন শাহিন খান, র্যাব ৮ এর উপ-অধিনায়ক মেজর জাহাঙ্গীর আলম, মৎস্য অধিদপ্তরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক আনিসুর রহমান তালুকদার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী শহিদুল ইসলাম, কোস্ট গার্ডের চীফ পেটি অফিসার বাবুল আক্তার, নৌ-পুলিশ সুপার কফিল উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।







