প্রথম দুই ওয়ানডেতে হেরে আগেই সিরিজ খুইয়েছিল বাংলাদেশ। তাই শেষ ম্যাচে লক্ষ্য ছিল অন্তত হোয়াইটওয়াশ এড়ানো। সেই লক্ষ্য পূরণে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিলেন শরিফুল ইসলাম ও তানজিদ হাসান তামিম। তাদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ৭ উইকেটে হারিয়ে স্বস্তির জয় তুলে নিয়েছে টিম টাইগার্স।
হারারের স্পোর্টস ক্লাবে শনিবার টসে জিতে আগে ব্যাটে নেমে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ২০০ রানের লক্ষ্য তাড়ায় নেমে বাংলাদেশ পায় দারুণ সূচনা। ওপেনার তানজিদ হাসান তামিম আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে ইনিংসের ভিত গড়ে দেন। তার ঝকঝকে ফিফটিতে জয়ের পথ সহজ হয়ে যায়। পরে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন। ৩৬ ওভারেই ৩ উইকেট হারিয়ে ২০০ রান তুলে নেয় বাংলাদেশ।
শুরুতে ব্যাটে নেমে জিম্বাবুয়ে ২৭ রানে টপ অর্ডারের ৩ ব্যাটারকে হারায়। চতুর্থ উইকেটে ৫১ রানের জুটি গড়লেও শরিফুলের তোপে ১০৮ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে ধসে যাওয়ার শঙ্কায় পড়ে প্রথম দুই ম্যাচে জিতে সিরিজ নিশ্চিত করা দলটি। বিপর্যয়ে দাঁড়িয়ে ওয়েলসলি মেধেভেরে ৭৪ বলে ৭৫ ও ব্রাড ইভান্স ৪৩ বলে ৫০ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলে জিম্বাবুয়েকে লড়াই করার পুঁজি এনে দেন।
জবাবে সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে ভালো জুটি দিতে না পারা বাংলাদেশের ওপেনিং জুটি ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে ফেলে। সৌম্য সরকার ফিরে যাওয়ার আগে ৮২ বলে ৬৯ রানের ইনিংস খেলেন। ছয়টি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি।
দল যখন জয় হতে ৬ রান দূরত্বে তখন তানজিদ তামিমও সেঞ্চুরি হতে ৬ রান দূরে ছিলেন। তিনি সেঞ্চুরি করতে গিয়ে ১০১ বলে ৯৪ রান করে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান। তার ব্যাট থেকে আটটি চার ও তিনটি ছয়ের শট আসে। পরেই তাওহীদ হৃদয় আউট হন শূন্য রানে। নাজমুল হোসেন শান্ত ১৮ রান করে ১৪ ওভার থাকতে দলকে জয় এনে দেন।
বল হাতে ৪ উইকেট নেয়া শরিফুল ১০ ওভারে ৪৪ রান দেন। তাসকিন আহমেদ ১০ ওভারে ৩২ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। বাঁ হাতি স্পিনার তানভীর ১০ ওভারে ৩৭ রান খরচা করে ২ উইকেট তুলে নেন।







