সিলেট থেকে: সবশেষ চার বছরে কোনো টেস্ট জেতেনি জিম্বাবুয়ে। ১১তম ম্যাচে এসে বাংলাদেশকে হারিয়ে জয়ে ফিরেছে তারা। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ছিল হতশ্রী। ব্যাটিং ব্যর্থতার কারণে রোডেশিয়ানদের কাছে ৩ উইকেটে হেরেছে টিম টাইগার্স। এমন পরাজয় হতশাজনক মনে হলেও খুব বেশি আপসেট নন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের প্রথম টেস্ট হারের পর সংবাদ সম্মেলনে এমন বলেছেন শান্ত। বলেছেন, ‘অবশ্যই হতাশাজনক। পুরো ম্যাচ বিশ্লেষণ করলে আমরা খুব একটা ভালো ক্রিকেট খেলিনি। যার কারণে ম্যাচ হারা। অতিরিক্ত আপসেট এটা আসলে বলব না। আন্তর্জাতিক ম্যাচ ছিল। আপসেট, ভালো করিনি এই কারণেই আরকি।’
কাগজে-কলমে শক্তিমত্তায় জিম্বাবুয়ে থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে থাকলেও এমন হারকে অন্যসব ম্যাচের মতোই দেখছেন শান্ত। তার মতে নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেনি বাংলাদেশ। বলেছেন, ‘বেশি বলব না। যেকোনো ম্যাচ হারলেই খারাপ লাগে। অবশ্যই আমাদের সামর্থ্য অনুযায়ী আমরা খেলতে পারিনি। এটা বিশ্বাস করি। কারণ আমরা এর থেকে ভালো খেলার মতো দল। অনেকবেশি খারাপ লাগছে ব্যাপারটা এমন না। নরমালি ম্যাচ হারলে যেরকম খারাপ লাগে সেরকম লাগছে।’
ব্যাটাররা ভালো না করতে পারলেও বল হাতে মিরাজ ও তাইজুল ভালো করেছেন। ১৭৪ রানের লক্ষ্য দিয়ে জিম্বাবুয়ের ৭ উইকেট তুলে নিয়েছেন দুজনে। তাদের প্রশংসা করতে ভুললেন না শান্ত। বলেছেন, ‘মিরাজ এবং তাইজুল ভাই চেষ্টা করেছে। যেভাবে বল করেছে অবশ্যই কৃতিত্ব দিতে হবে। তবে আমার কাছে মনে হয় যে বোর্ডে যথেষ্ট রান ছিল না।’
ব্যাটারদের হতশ্রী পারফরম্যান্স নিয়ে শান্ত বলেছেন, ‘সমস্যা কী আসলে বলা মুশকিল। ব্যাটিং আসলে সফট ডিসমিসাল সবগুলোই। আমার মনে হয় না যে আমরা খুব বেশি ভালো বলে উইকেট দিয়েছি। স্কিলের চেয়ে মেন্টাল বেশি। আমার মনে হয়, এখানে আরও দায়িত্ব নেয়া উচিত ছিল ব্যাটারদের, যারা আমরা সেট হয়ে আউট হয়েছি।’
জিম্বাবুয়ের মুজারাবানি প্রথম ইনিংসে তিন উইকেট এবং দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছেন ৬টি। তার প্রশংসা করছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। বলেছেন, অবশ্যই ভালো বল করেছে। (মুজারাবানি) ওর হাইটের একটা বাড়তি সুবিধা তো থাকেই। স্টিল ও ভালো বল করছে, ব্যাটিং ইউনিটে আরেকটু দায়িত্ব নিতে হতো। তার বিপক্ষে আরেকটু ভালো প্ল্যান করা দরকার ছিল। সে তাদের মেইন বোলার ছিল। কীভাবে তার স্পেলগুলো হ্যান্ডেল করতে পারি সেখানে জরুরি ছিল। আমার মনে হয় যেটা আমরা কিছু সময় করেছি, কিন্তু লম্বা সময় করতে পারিনি।’







