মিরপুর টেস্টে আয়ারল্যান্ডের সামনে ৫০৯ রানের লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছিল বাংলাদেশ। পাহাড়সম লক্ষ্যে নেমে চতুর্থ দিনে ৬ উইকেট হারায় সফরকারী দলটি। শেষদিনে ভালো প্রতিরোধ গড়ে ৫৯.৩ ওভার ব্যাট করে। নবম উইকেটে কার্টিস ক্যাম্ফের ও গ্যাভিন হোয়ে ৩১.৫ ওভার জুটি গড়েন। শেষে ২১৭ রানে হারে অতিথিরা। আইরিশদের প্রতিরোধ টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্য, বলছেন স্বাগতিক অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত।
মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় টেস্টে জিতে আয়ারল্যান্ডকে ২-০তে হোয়াইটওয়াশের পর সংবাদ সম্মেলনে এসে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের প্রশংসা করেছেন শান্ত। বলেছেন, ‘এটাই তো টেস্ট ক্রিকেটের সৌন্দর্য, আমার মনে হয় যে ছোট দল বড় দল বলে আসলে কিছু নাই। ওরা খুবই ভালো ক্রিকেট খেলেছে, এটা মানতেই হবে।’
‘এরকম একটা পঞ্চম দিনের মতো উইকেটে এসে যেভাবে ওরা চ্যালেঞ্জটা দিয়েছে, অবশ্যই তাদেরকে কৃতিত্ব দিতে হবে। পাশাপাশি বলবো, আমাদের বোলাররা যেভাবে বল করেছে, ওই ধৈর্য্যটা নিয়ে এটাও আসলে প্রশংসা পাওয়ার মতো। বিশেষ করে তাইজুল, মিরাজ, মুরাদ, খালেদ এবং ইবাদত, সবাই যেভাবে দায়িত্ব নিয়ে বোলিং করেছে, এটা আসলে কৃতিত্ব দেয়ার মতো।’
পঞ্চম দিনে আইরিশদের সাবলীল ব্যাটিংয়ের একটি কারণ হিসেবে মিরপুরের উইকেটের ভালো আচরণকে দেখছেন শান্ত। বললেন, ‘প্রথমত মিরপুরের উইকেট যেরকম দেখা যায়, সেটির থেকে অনেক ভালো আচরণ করেছে। বিশেষ করে বাউন্সটা দেখেন, একদমই সত্যিকারের বাউন্স ছিল এবং কাঙ্ক্ষিত, আজকেও। প্রত্যেকটা উইকেট নিতে কষ্ট হয়েছে। শেখার তো শেষ নেই।’
কার্টিস ক্যাম্ফেরের প্রশংসায় বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেছেন, ‘আমার মনে হয় যেভাবে কার্টিস ক্যাম্ফের ব্যাটিং করেছে, এতগুলো বল ফেস করেছে, এই জিনিসগুলোতে আসলে বোঝা যায় সে কতটা নিবেদিত। কতটা প্রতিজ্ঞা নিয়ে ব্যাটিং করেছে তারা। আমরাও করেছি। আমরা অতীতেও করেছি, এই সিরিজেও বেশকিছু ইনিংস ছিল যেখানে আমরা ওই চ্যালেঞ্জটা ভালোভাবে গ্রহণ করেছি। এরকম পরিস্থিতি যদি আমাদেরও আসে, ওই আকাঙ্খাটা দেখানো যে আমরা দলের জন্য ওভাবে ব্যাটিং করবো, এই জিনিসগুলো আশা করব। অতীতে করেছি এটা যেন ভবিষ্যতেও আমরা করতে পারি।’







