এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
জাতীয় দলের হয়ে খেলা শেষ সাতটি টি-টুয়েন্টির মধ্যে পাঁচ ইনিংসেই শূন্য কিংবা ১ রান করেই ফিরতে হয়েছিল শামীম হোসেনকে। কঠিন সময় ফেলে চলতি বিপিএলে এসে দারুণ ছন্দে আছেন বাঁহাতি এ ব্যাটার। প্রথম ম্যাচে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের বিপক্ষে ১৩ বলে ১৭ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেই দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন তিনি। আত্মবিশ্বাস ফেরানোর ক্ষেত্রে সেটিই ছিল বড় এক মোড়। এবার দ্বিতীয় ম্যাচেও ৮১ রানে থাকলেন অপরাজিত।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার টসে জিতে টাইটানসকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান ঢাকা অধিনায়ক মোহাম্মদ মিঠুন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৭৩ রান তোলে স্বাগতিকরা। লক্ষ্যে নেমে ৮ উইকেটে ১৬৭ রানে থামে ঢাকা।
এ দিন সিলেটের বিপক্ষে হারের পথে থাকা ম্যাচ ঘুরিয়ে দেয়ার চেষ্টাই করেছিলেন শামীম। ৪৩ বলে ৮১ রানের ঝড়ো এক ইনিংস খেলে শেষপর্যন্ত টিকে ছিলেন শামীম। যদিও দলকে জেতাতে পারেননি। তবে খেলেছেন দুর্দান্ত।
ঢাকার ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে লিটনকে ধন্যবাদ দিলেন শামীম। বলেছেন, ‘লিটন ভাই আমাকে অনেক বিশ্বাস করেছেন। আগেও ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছি। একজন খেলোয়াড়ের দুই-তিনটা ম্যাচ খারাপ যেতেই পারে। আমি মনে করি, এটাকে বড় করে দেখার কিছু নেই। যদি পাশে একটু ব্যাকআপ আর সাপোর্ট থাকে, তাহলে ফিরে আসাটা সহজ হয়।’
নিজের মানসিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্নের জবাবে শামীম জানান, চাপ নিয়ে ভাবতে চান না জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ওরকম কিছু মাথায় রাখিনি। নিজের কাজেই মনোযোগ দিয়েছি, অনুশীলন করেছি। যেটা দরকার ছিল, সেটাই করার চেষ্টা করেছি,’
বিপিএলের পরপরই সামনে টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপ। দল দেয়ার সময়ও খুব বেশি দূরে নয়। এ সময়ে এই ইনিংস শামীমের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে। বিশ্বকাপ দলে সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে শামীম বলেছেন, ‘এখন আমার ফোকাস এই টুর্নামেন্টেই। এখানে ভালো খেলতে পারলে, বিশ্বকাপে সুযোগ এলে সেটার জন্য ভালো প্রস্তুতি হয়ে যাবে।’









