বিলাসবহুল এক বাড়ি, কালের পরিক্রমায় হল দুই বিশ্বচ্যাম্পিয়নের আবাস। যেখানে রয়েছে ঝর্ণাসহ দুটি সুইমিং পুল, একটি ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ, একটি সিনেমা ঘর এবং আরও অনেক সুযোগ-সুবিধা। বার্সেলোনায় অবস্থিত বাড়িটি ছিল জেরার্ড পিকে এবং শারিকা দম্পতির। তাদের বিচ্ছেদের পর বাড়িটি ছেড়ে দেন, সেই বাড়ি কিনে নিয়েছেন লামিন ইয়ামাল।
চলতি বছর স্পেনের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের দলের অন্যতম সদস্য ইয়ামাল। ২০১০ সালে স্পেনের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ে অন্যতম সদস্য ছিলেন পিকে। ১১ বছরের দাম্পত্য জীবন শেষে ২০২২ সালে বিচ্ছেদ হয় পিকে এবং কলম্বিয়ার পপসংগীত তারকা শাকিরার। এরপর তাদের স্বপ্নের বিলাসবহুল বাড়িটি ছেড়ে যান দুজনে। বার্সেলোনার তারকা ইয়ামাল ১০ মিলিয়ন ইউরোর কিছু বেশি মূল্যে প্রাসাদের মতো বাড়িটি কিনলেন।
ম্যানসনটি বার্সেলোনার এসপ্লুগেস দে লোব্রেগাতের অভিজাত সিউদাদ ডায়াগোনাল কমপ্লেক্সের অন্তর্ভুক্ত। এটি বার্সেলোনার অন্যতম আইকনিক স্থাপনায় পরিণত হয়েছে। স্থপতি মিরেইয়া অ্যাডমেটলার ২০১২ সালে বাড়িটির নকশা করেন।
এটি তিনটি তলা এবং দুটি ভূগর্ভস্থ স্তরজুড়ে ৩,৮০০ বর্গমিটারেরও বেশি এলাকা নিয়ে বিস্তৃত। ভেতরে রয়েছে বড় বড় জানালা, ঝর্ণাসহ একটি আউটডোর সুইমিং পুল, ইনডোর সুইমিং পুল, ব্যক্তিগত জিম, প্যাডেল কোর্ট, সিনেমা ঘর, ওয়াইন সেলার, রেকর্ডিং স্টুডিও এবং একটি ব্যক্তিগত ফুটবল মাঠ।
শাকিরা এবং পিকের বাড়ির সাজসজ্জার আধুনিকতা অক্ষুণ্ণ রেখেছেন ইয়ামাল। তবে তিনি ক্যারিয়ারে এপর্যন্ত অর্জিত ট্রফি, পুরস্কার এবং স্মৃতিচিহ্নগুলো নিজের মতো করে প্রদর্শন করছেন। বাড়ি খোলামেলা ও আরামদায়ক রাখতে আসবাবপত্রও নতুন করে সাজিয়েছেন।
চারটি আলাদা বাড়ি নিয়ে গঠিত একটি কমপ্লেক্স এটি। যার একটি পিকের বাবা-মায়ের, দ্বিতীয়টি শাকিরার বাবা-মায়ের এবং তৃতীয়টি, অর্থাৎ মূল বাড়িটি এখন বার্সার বিস্ময়বালকের। চতুর্থ বাড়িটির সংস্কার কাজ এখনও বাকি। উঁচু অবস্থানের কারণে প্রাসাদসম বাড়িটি থেকে বার্সেলোনা শহর এবং ভূমধ্যসাগরের দৃশ্য উপভোগ করা যায়।
কেনার জন্য তিন মাস ধরে আলোচনা চলেছিল, যেখানে আইনজীবীরা সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন। যদিও সেখানে পূর্ববর্তী মালিকরা অর্থাৎ, শাকিরা এবং পিকে অনুপস্থিত ছিলেন। গতবছরের অক্টোবর থেকে কেনার প্রস্তুতি নিয়েছেন ইয়ামাল, বছরের শেষে যেয়ে কিনতে পারেন। যখন বাড়ি কেনার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন, ইয়ামালের বয়স ছিল ১৮ বছর।








