টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন সাকিব আল হাসান। অক্টোবরে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ঘরের মাটিতে টেস্ট খেলে অবসরে যাবেন বাংলাদেশের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। প্রোটিয়া সিরিজে খেলতে এই দেশে ফেরা প্রসঙ্গেই সাকিবকে ঘিরে উঠছে নতুন প্রশ্ন। তার নামে যে হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ভারতের বিপক্ষে কানপুরে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টের আগেরদিন সংবাদ সম্মেলনে বিদায়ের ঘোষণা দিয়েছেন সাকিব। বলেছেন, গত টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে ক্যারিয়ারের শেষ টি-টুয়েন্টি ম্যাচটি খেলে ফেলেছেন তিনি। এই অর্থে ভারতে অক্টোবরের প্রথমদিকে তিন টি-টুয়েন্টির সিরিজে না খেলার কথাও জানিয়ে দিলেন।
অবসর ঘোষণার সাথে সাথেই আসে দেশে ফেরা প্রসঙ্গ। ৩৭ বর্ষী মহাতারকা পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সংসদ সদস্য ছিলেন। গত ৫ আগস্ট সেই সরকারের পতনের পর অন্য অনেকের মতো তার নামেও হত্যা মামলা হয়েছে।
গার্মেন্টসকর্মী রুবেলকে হত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে ২২ আগস্ট ডিএমপির আদাবর থানায় সাকিবের বিরুদ্ধে হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়। রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
এমন অবস্থায় দেশে ফেরা প্রসঙ্গে সাকিব বললেন, ‘বাংলাদেশে ফিরে যাওয়া কোনো উদ্বেগের বিষয় নয়, কিন্তু বাংলাদেশ থেকে চলে যাওয়ার পর আবার ফিরে যাওয়া খুবই বিপজ্জনক।’
‘যদি সুযোগ থাকে এবং খেলতে পারি, মিরপুর টেস্ট হবে আমার শেষ, বিশেষত টেস্ট ক্রিকেট। বোর্ডের সবার সাথে এই বিষয়টি বলা হয়েছে এবং তারা জানে। সেটা কীভাবে আয়োজন করা যায় এবং যাতে আমি গিয়ে খেলতে পারি এবং নিরাপদবোধ করি।’
‘একইভাবে দেশের বাইরে গিয়ে ফিরে আসতে এবং দেশের বাইরে চলে যেতে যেন কোনো সমস্যা না হয়, এই জিনিসটা বোর্ড খেয়াল করেছে। এটার সাথে সম্পর্কিত মানুষ আছে, তারা বিষয়টি দেখবে এবং দেখছে বলে আশা করি। তারা হয়তো আমাকে সিদ্ধান্ত দেবে যেটার ভিত্তিতে আমি দেশে গিয়ে ভালোভাবে খেলে অন্তত টেস্ট সংস্করণ ছাড়তে পারবো।’
বিশ্ব ক্রিকেটে প্রভাব বিস্তারকারী সাকিব আল হাসানের অভিষেক হয়েছিল ২০০৬ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ওয়ানডেতে। টেস্ট ও টি-টুয়েন্টি ক্রিকেটেও নিয়মিত হয়ে যান দ্রুতই। হয়ে ওঠেন ভরসার নাম ও বিশ্বসেরা। ২০০৭ সালের পর ২০২৪ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছেন তিনি।







