কক্সবাজারে যারা বেড়াতে আসেন তাদের জন্য বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বমানের সি অ্যাকুরিয়ামে অন্যতম আকর্ষণ।
এই অ্যাকুরিয়ামে দর্শনার্থীরা দেখতে পান সাগরতলের রহস্যময় জগতের বিভিন্ন প্রজাতির জীব বৈচিত্র্য।
দেশের পর্যটন শিল্প বিকাশে সি অ্যাকুরিয়াম গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে জানিয়ে রেডিয়্যান্ট ফিস ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিকুর রহমান চৌধুরী বলেন: অ্যাকুরিয়ামটিতে সাগরের ২০০ প্রজাতির মাছ সংরক্ষণ করা হয়েছে। অচেনা এবং বিলুপ্ত প্রায় অনেক মাছও রয়েছে। সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। এটা শুধু বিনোদনের জন্য নয়, এটি সাগরের জীববৈচিত্র্য ও প্রাণী সম্পর্কে জানার একটি শিক্ষাকেন্দ্র।

তিনি বলেন, সি অ্যাকুরিয়ামে বর্তমানে সাগরতলের ২০০ প্রজাতির মাছ ও জীব রয়েছে। এই অ্যাকুরিয়ামটিকে জীবন্তভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সমুদ্রের গভীর তলদেশ, নানা প্রাণীর বসবাসের চিত্র। বিরল প্রজাতির মাছসহ এখানে আছে হাঙর, পিরানহা, শাপলাপাতা, পানপাতা, কাছিম, কাঁকড়া, সামুদ্রিক শৈল, পিতম্বরী, সাগর কুঁচিয়া, বোয়াল, জেলিফিস, চেওয়া, পাঙ্গাস, আউসসহ আরও অনেক মাছ এবং জলজ প্রাণী।
শফিকুর রহমান জানান অ্যাকুরিয়ামে নতুন অতিথি ৭০ কেজি ওজনের ক্যাট ফিস ৬০ কেজি ওজনের কাছিম ৬৫ কেজি ওজনের হাঙ্গর মাছসহ গভীর সাগরের দুষ্প্রাপ্য কিছু মাছ।

রেডিয়্যান্ট ফিস ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষ জানায়, অ্যাকুরিয়ামে এবারের ঈদুল আজহা উপলক্ষে কক্সবাজারে বেড়াতে আসা পর্যটকদের জন্য ১০ পার্সেন্ট ডিসকাউন্টের ঘোষণা দিয়েছে। এ ছাড়া সকল শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ ডিসকাউন্ট রয়েছে। সাড়ে তিন ফিটের নীচের শিশুদের জন্য এই অ্যাকুরিয়াম পরিদর্শন ফ্রি রাখা হয়েছে।








