কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এলাকা থেকে কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সিনিয়র শিক্ষক রোকসানা খানমের (৫২) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে হাউজিং ডি ব্লকের ২৮৫ নং (৬তলা বিশিষ্ট) নিজ বাড়ীর দোতলার বসবাসরত বেডরুম থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রোকসানা খানম যশোর জেলার ঝিকড়গাছার এলজিইডি অফিসে কর্মরত মোস্তাফিজুর রহমানের স্ত্রী। রোকসানা কুষ্টিয়া জেলা স্কুলে ইংরেজি বিভাগের সিনিয়র শিক্ষিকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। নিঃসন্তান রোকসানা রাতে বাসায় একাই ছিলেন। তার মাথায় গুরুতর জখমের চিহ্ন রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রোকসানা খানম সকালে ঘুম থেকে না ওঠায় ওই বাসার ৪ তলায় বসবাসকারী তার বোনের ছেলে রোকসানাকে ডাকাডাকি করে কোন সাড়াশব্দ পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে রুমের দরজা কক্ষে প্রবেশ করে খাটের উপরে তার রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পাই। তার ঘরের আলমারীসহ সমস্ত জিনিস পত্র এলোমেলো অবস্থায় ছিল। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন রোকসানা হত্যার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে রাতের কোন এক সময় রোকসানাকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। কে বা কারা কিভাবে রোকসানাকে হত্যা করেছে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান ওসি।
অন্যদিকে কুষ্টিয়ার খোকসার গড়াই নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় অজ্ঞাত একজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
কুষ্টিয়ার খোকসা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান জানান, আজ বেলা ১১টার দিকে খোকসা বাজার সংলগ্ন গড়াই নদীতে ভাসমান অবস্থায় এক ব্যাক্তির মরদেহ দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে খোকসা থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে পাকশি নৌ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এখন পর্যন্ত নিহত ব্যাক্তির নাম ও পরিচয় পাওয়া যাইনি বলেও জানায় ওসি।







