এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
কানাডার টরেন্টোর বাংলাদেশ হাই-কমিশনের কনস্যুলেট অফিসে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছিলেন সামিত সোম। সেই আবেদনের ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই প্রস্তুত হয়ে গেছে তার ই-পাসপোর্ট। বাংলাদেশের জার্সিতে জামাল ভুঁইয়া-হামজা চৌধুরীদের সঙ্গে মাঠে নামতে বাকি শুধু বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার অনুমোদনের।
সোমবার চ্যানেল আই অনলাইনকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সহসভাপতি ফাহাদ করিম। সামিতের পাসপোর্ট হওয়ার বিষয়টি জানিয়ে তিনি বলেছেন, ‘সামিতের পাসপোর্টের বই প্রিন্ট হয়ে গেছে, কনফার্ম। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হতে পেরেছি। পরের প্রক্রিয়াটি হল ফিফার পোর্টালে আবেদন করা। এগুলোর জন্য সকল তথ্যও হাতে আছে। আশা করি আগামীকালকের মধ্যেই আমরা আবেদন করতে পারব। চেষ্টা থাকবে এর আগেই আবেদন করার।’
বাংলাদেশ দলের পরবর্তী ম্যাচ ১০ জুন সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের সেই ম্যাচটিতে সামিতের খেলা নির্ভর করছে ফিফার ওপর। যত দ্রুত ফিফার প্লেয়ার্স স্ট্যাটাস কমিটি ছাড়পত্র দেবে, তত দ্রুত বাংলাদেশের জার্সি গায়ে জড়াতে পারবেন তিনি। এর আগে হামজা চৌধুরীর বাংলাদেশের হয়ে খেলার জন্য ফিফার অনুমোদন আসতে তিন মাসের বেশি সময় লেগেছিল।
বাংলাদেশি বাবা-মায়ের সন্তান সামিতের জন্ম ও বেড়ে ওঠা কানাডায়। ২৭ বর্ষী এই মিডফিল্ডার ২০২০ সালে কানাডার জাতীয় দলের হয়ে ২টি ম্যাচও খেলেছেন। লম্বা সময় আন্তর্জাতিক ফুটবল না খেলা সামিত ক্লাব ফুটবলে কানাডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব ক্যাভালরি এফসিতে খেলেন।








