মিশরের প্রথম বৈশ্বিক তারকা বনে যাওয়া লিভারপুল উইঙ্গার মোহাম্মেদ সালাহর শৈশব কেটেছে কৃষিনির্ভর ছোট গ্রাম নাগরিগে। নীল নদ ঘেঁষা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি গ্রামটির ছোট-বড় সবাই অনুসরণ করছেন তাকে। সেখানকার শিশুরা আদর্শ হিসেবে বেছে নিচ্ছেন প্রিয় ফুটবলার সালাহকে। অনেকেই হতে চান সালাহর মতোই।
মিশরের রাজধানী কায়রোর উত্তরে চার ঘণ্টার পথ অতিক্রম করে যেতে হয় সালাহর গ্রামে। সেখানে আছে যুবাদের ফুটবল অনুশীলনের স্থান। যেখানে ফুটবলে হাতেখড়ি হয়েছিল লিভারপুলকে গত মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগ জেতানো সালাহর। সেখানে তাকে ডাকা হয় ‘মিশরীয় রাজা’ নামে।
সালাহর প্রথম কোচ আল সাদনে স্মৃতিচারণ করে বলেছেন, ‘এখনও চোখে ভাসছে সাত বছর বয়সী সালাহ বন্ধুদের সাথে নাগরিগের রাস্তায় ফুটবল খেলছেন। তখন তিনি হতে চেয়েছেন জিনেদিন জিদান, রোনালদো নাজারিও ও রোমা কিংবদন্তি ফ্রান্সেসকো টট্টির মতো। সতীর্থদের তুলনায় তার শটগুলো শক্তিশালী ছিল। মনেপ্রাণে ফুটবল ধারণ করতেন তিনি।’
নাগরিগের প্রতিটি স্থান যেন সালাহময়। শিশুদের এখানে দেখতে পাওয়া যায় তার মিশর ও লিভারপুল জার্সিতে। সালাহর পুরনো স্কুলের বাইরেই আছে ম্যুরাল।

৩৩ বর্ষী সালাহর খেলা দেখতে এখনও গ্রামটির অধিকাংশ মানুষ একসাথে হন। লিভারপুলের যেদিন খেলা থাকে, সমর্থকরা জড়ো হন স্থানীয় ক্যাফেতে বড়পর্দায় দেখার জন্য। সম্প্রতি গ্রামটির সেরা সন্তানের স্মরণে তরুণদের জন্য খেলার মাঠ উন্নত ও সম্প্রাসরণ করেছে গ্রামবাসী।
অলরেডদের হয়ে প্রিমিয়ার লিগসহ মোহাম্মেদ সালাহ এপর্যন্ত খেলেছেন ৪০২ ম্যাচ। ২০১৭ সালে ইংলিশ ক্লাবটির হয়ে নাম লেখানোর পর গোল করেছেন ২৪৫টি।








