ভুটানের জালে এক ডজন গোল দিয়ে বড় জয়ে অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে সূচনা পেয়েছে ভারত। সংবাদ সম্মেলনে বেশ খোশ মেজাজেই ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার কোচ মায়মল রকি। ১২-০ গোলের জয় পাওয়া কি অপ্রত্যাশিত? এমন প্রশ্নে রকি অবাক হয়ে পাল্টা প্রশ্ন করেন, অপ্রত্যাশিত কেন হতে যাবে? আমরা ভালো ফুটবল খেলেছি, তাই এত গোল এসেছে।
টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে শক্তিশালী দল মানছেন রকি। এটিও পরিষ্কার বলে দিলেন, ট্রফি নিয়ে যাওয়াই তাদের প্রত্যাশা।
‘বাংলাদেশের লাইনআপ আমরা দেখেছি। আমরা খেলোয়াড়দের চিনি। গত কয়েক বছর তারা ভালো ফুটবল খেলছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে সেরাটাই দিতে হবে।’
এদিন নেহা, আনিতা কুমারী এবং লিন্ডা কম সেরটো পেয়েছেন হ্যাটট্রিকের দেখা। নেহা একাই করেছেন ৪ গোল। এ তিনের পারফরম্যান্সে বেশ খুশি ভারতের কোচ।
‘তিন ফুটবলারের হ্যাটট্রিক করাটা দারুণ ব্যাপার। কোচ হিসেবে এটা আনন্দের। যদিও এটা টিম ওয়ার্ক ছিল। এই তিনজন সামনে থেকে পারফরম্যান্স করেছে।’
হ্যাটট্রিক পাওয়া তিনজনের কেউই শুরুর একাদশে ছিলেন না। কেনো তাদের ম্যাচের শুরুতে মাঠে নামানো হয়নি? রকি বললেন, ‘কেনো নামাইনি এমনটা আপনি বলতে পারেন না। দলে যে ২৩ জন রয়েছে তারা গোটা দেশের ভেতর সেরা খেলোয়াড়। তাই বলতে পারেন না কেনো তারা বেঞ্চে ছিল। তবে হ্যাঁ, তারা ভালো খেলোয়াড়।’
আগে সংবাদ সম্মেলনে আসা ভুটান কোচ কারমা দেমা নিজের খেলোয়াড়দের আন্তর্জাতিক ম্যাচের অভিজ্ঞতা না থাকাকেই শোচনীয় পরাজয়ের কারণ বলেছেন। দলের মেয়েরা শতভাগ দেয়ার চেষ্টা করেছে বলেও মত তার।
একের পর এক গোল হজমের পর ভুটানের গোলরক্ষক এবং অধিনায়ক নরবু জাংমোকে বেঞ্চে বসিয়ে সোনাম পেলডেনকে নামানো হয়। তাতেও ঠেকানো যায়নি ভারতের গোল উৎসব। গুনে গুনে প্রতিপক্ষ জালে ১২ গোল দিয়েছে ভারত। বদলি গোলরক্ষক নার্ভাস ছিলেন কিনা সেই প্রশ্নও উঠল। দেমা শুধু বললেন, ‘এটাই তার প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ।’
‘সব ফুটবলারই একাডেমি থেকে উঠে এসেছে। তাদের অনেক ম্যাচ খেলতে হবে। অভিজ্ঞতা বাড়লেই ওরা আরও ভালো খেলতে পারবে।’








