ফিফা থেকে আসিয়ান কাপে খেলার আনুষ্ঠানিক সুযোগে পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। শুক্রবার রাতে ফিফা থেকে সবুজ সঙ্কেত পাওয়ার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) জানিয়ে দিয়েছে তারা এ আসরে খেলবে। শনিবার আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলন করে এ তথ্য জানিয়েছে ফুটবলের কর্তাসংস্থা। তবে সাফের আগে এটি ভালো প্রস্তুতির সুযোগ হলেও আরও প্রস্তুতি ম্যাচের পরিকল্পনা রয়েছে বাফুফের।
শনিবার কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাফুফে। এরপর সংবাদ সম্মেলনে এসে বাফুফের মিডিয়া কমিটির সভাপতি আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘এ ধরনের আসরে (ফিফা আসিয়ান কাপ) যাওয়ার মানে এটা ফিফার অধীনে খেলা। আমাদের প্রধান লক্ষ্য কি আপনারা জানেন, সামনে আমাদের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসর রয়েছে। আর সাফের আগে এই খেলাটা আমাদের সকলের মতে দরকার ছিল। যার জন্য আমরা এই আসরের খেলাটা খেলছি।’
‘হোক দেশের বাইরে বা দেশের ভেতরে। আমাদের হাতে অনেক সময় আছে। সেই ক্ষেত্রে আমরা চেষ্টা করব আরও যদি প্র্যাকটিস ম্যাচ আয়োজন করা যায়, প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলা যায়। আমরা কোচের সাথে কথা বলব। যদি প্রয়োজনের পরিপ্রেক্ষিতে আশেপাশে কোনো দেশে গিয়ে খেলতে হয়, সেটাও আমরা চেষ্টা করে যাব।’
আসিয়ান কাপের দল দিয়ে সাফের জন্য দল গোছানোর পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বাফুফের কার্যনির্বাহী কমিটির এ সদস্য জানান, ‘আমাদের সাফে যে খেলোয়াড়গুলি খেলবে, প্রত্যেকটা খেলোয়াড়কে আমাদের এখানে আমরা অন্তর্ভুক্ত করব। অন্তর্ভুক্ত করা সেই দলটাকে নিয়েই আমরা ইন্দোনেশিয়াতে যাব। ইন্দোনেশিয়াতে গিয়ে আমাদের খেলোয়াড়রা যাতে সকল রকমের সুবিধা ভোগ করতে পারে, সেই দিকে আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখব।’
আসন্ন নভেম্বরে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১৫তম আসর। সাফের মতো টুর্নামেন্টের আগে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা শক্তিশালী দলগুলোর বিরুদ্ধে খেলার এই সুযোগকে বাংলাদেশ ফুটবল দলের জন্য সেরা প্রস্তুতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এবারের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আসরে বাংলাদেশ খেলবে ‘এ’ গ্রুপে। বাংলাদেশের অন্যান্য প্রতিপক্ষরা হল- শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটান। ফিফা কর্তৃক স্থগিতাদেশ থাকায় ড্রয়ের সময় নেপালকে রাখা হয়নি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফিফা যদি নেপালের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়, তবে তারা সরাসরি বাংলাদেশের গ্রুপে খেলবে।









