দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে মেহজাবীন অভিনীত দ্বিতীয় সিনেমা ‘সাবা’। সিনেমাটি গত এক বছরে ডজনখানেক বিশ্বনন্দিত চলচ্চিত্র উৎসবগুলোতে প্রদর্শীত ও প্রশংসিত হয়েছে।
গেল বছর সেপ্টেম্বরে ৪৯তম টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব (টিআইএফএফ)-এ হয় ‘সাবা’র বিশ্ব প্রিমিয়ার। এরপর রেড সি, গথেনবার্গ, সিডনি, রেইনডান্সসহ আরও অনেক উৎসব ঘুরে সিনেমাটি।
সিনেমায় তুলে ধরা হয়েছে মধ্যবিত্ত পরিবারের এক অসুস্থ মায়ের সেবায় নিয়োজিত এক তরুণীর গল্প। যেখানে মেয়ের চরিত্রে (সাবা) অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। ও মায়ের (শিরিন) চরিত্রে অভিনয় করেছেন রোকেয়া প্রাচী।
‘সাবা’ সিনেমার চিত্রনাট্য তৈরি করেছেন নির্মাতা মাকসুদ হোসেন ও তার স্ত্রী ত্রিলোরা খান।
সিনেমা প্রসঙ্গে এক প্রেস রিলিজে নির্মাতা জানান, ‘সাবা’ ইতিমধ্যেই যুক্তরাজ্যের চ্যানেল ৪, অস্ট্রেলিয়ার এসবিএস এবং কাজাখস্তানের অলটারনাটিভা ডেজ-এ বিক্রি হয়েছে। সিনেমাটি বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হওয়ার পর বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে।
এসময় মুক্তির ঘোষণা দিয়ে জানানো হয়, অপেক্ষার প্রহর শেষে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেতে যাচ্ছে ‘সাবা’।
সিনেমাটি নির্মাণ প্রসঙ্গে নির্মাতা মাকসুদ হোসেন বলেন,“প্রায় পঁচিশ বছর আগে ঢাকায় আমার স্ত্রী ত্রিলোরা খান ও তার মা এক ভয়াবহ গাড়ি দুর্ঘটনার শিকার হয়েছিলেন। সেই দুর্ঘটনার পর থেকে ত্রিলোরার মা হুইলচেয়ারে বসা একজন প্যারাপ্লেজিক, প্রতিদিনের যত্নের জন্য পুরোপুরি নির্ভর করতেন ত্রিলোরা আর তার বাবার ওপর।”
মাকসুদ হোসেন আরও বলেন,ত্রিলোরার বাবার মৃত্যুর পর আমি কাছ থেকে দেখেছি, যথেষ্ট টাকা, ২৪ ঘণ্টা নার্সিং সাপোর্ট আর পরিবার পাশে থাকলেও ত্রিলোরার জন্য মাকে সামলানো কতটা কঠিন ছিল। সেখান থেকেই আমার মাথায় আসে— যদি এমন এক তরুণীর গল্প বলা যায় যার নাম সাবা, যে ঢাকার নিম্ন-মধ্যবিত্ত জীবনে কোনো সাহায্য, টাকা বা পরিবার ছাড়াই মাকে বাঁচিয়ে রাখতে লড়ছে? সেই কল্পনা থেকেই তৈরি আমাদের পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘সাবা’।
‘সাবা’-তে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী, রোকেয়া প্রাচী এবং মোস্তফা মনোয়ার।








