‘হাঁস’ প্রতীকের পক্ষে কাজ করায় নেতাকর্মীদের বাসায় ডেকে নিয়ে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের একাংশ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। এদিকে নির্বাচনে রুমিন ফারহানাকে সমর্থন দিয়েছে জাতীয় পার্টি।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামে নিজ নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন তিনি। তবে কে বা কারা হুমকি দিচ্ছে সেটি স্পষ্ট করেননি তিনি।
রুমিন ফারহানাকে সমর্থন বিষয়ে জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ সংবাদ সম্মেলন করেছে। এতে কেন্দ্রীয় জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ ভাসানীসহ সরাইল ও আশুগঞ্জ জাতীয় পার্টির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
রুমিন ফারহানা বলেন, আমার নেতাকর্মীদেরকে ভয় দেখানো হচ্ছে। রাতে ফোন করা হচ্ছে, অনেককে বাসায় ডেকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বলা হচ্ছে কাজ করবা তো ‘হাঁসের’ সাথে করো! ১২ তারিখের পর দেখব। এটা এক ধরনের ভীতির পরিবেশ তৈরি করেছে। দ্বিতীয়ত হচ্ছে কালো টাকা। আমার কাছে তথ্য এসেছে, বিএনপি সমর্থিত জোট প্রার্থী কয়েক কোটি টাকার বাজেট নিয়ে নেমেছেন। আগামী দু’দিন এগুলো বিলি করা হবে। আশা করব প্রশাসন এগুলো খেয়াল রাখবে।
জাতীয় পার্টিতে যোগ দেবেন কি না জানতে চাইলে রুমিন ফারহানা বলেন, সেটা এতো আগে বলতে পারব না। আগে আমাকে নির্বাচন করতে হবে, জয়যুক্ত করতে হবে তারপরে এই সিদ্ধান্ত। আপাতত আমাদের সবার সামনে একটা বিরাট জাতীয় নির্বাচন। সেই নির্বাচনে যাতে কোনোভাবেই পেশীশক্তি, কালো টাকা, ভয়-ভীতি, হুমকি-ধামকির কারণে কোনো যোগ্য প্রার্থী ভোটারের ভোট থেকে যেন বঞ্চিত না হয়; ভোটাররা যেন নির্ভয়ে ভোট দিতে পারে, ফলাফল যেন ঠিকভাবে ঘোষণা করা হয়-সেটাই এখন আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
ইতোপূর্বে ‘গ্রেপ্তারের হুমকি’ পেয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী জিয়াউল হক মৃধা। তবে সংবাদ সম্মেলনে তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
বিএনপির বহিস্কৃত নেত্রী রুমিন ফারহানা ‘হাঁস’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি জোট সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব। তার প্রতীক ‘খেঁজুর গাছ।’








