২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বেগম রওশন এরশাদ।
আজ (৮ জুন) শনিবার জাতীয় পার্টির একটি প্রেস বিবৃতিতে বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রওশন এরশাদ বলেন, ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত জাতীয় বাজেট পেশ করা হয়েছে। আপনারা জানেন যে এ যাবৎ কালের মধ্যে সর্ববৃহৎ বাজেট পেশ করা হয়েছে। এই বৃহৎ বাজেটকে আমরা ইতিবাচক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতে চাই।
তিনি বলেন, দেশকে এগিয়ে নেবার জন্য বাজেটের আয়তন বড় করতেই হবে। হয়তো আগামীতে আমরা আরো বড় বাজেট দেখতে পাবো। আমরা বিরোধী অবস্থানে আছি বলে- বিরোধিতার স্বার্থেই একটা জাতীয় বাজেট পেশ হবার পর তার বিরোধীতা করতে হবে- এই নীতিতে আমরা বিশ্বাসী নই।
তিনি আরও বলেন, আমরাও সরকারে ছিলাম এবং বাজেট প্রনয়ন করেছি। আমি বিশ্বাস করি কোন সরকারই দেশ ও জনগনের স্বার্থের পরিপন্থী কোন বাজেট প্রনয়ন করে না। দেখতে হবে, প্রনীত বাজেট বাস্তবায়নে সরকার দক্ষতার পরিচয় দিতে পারে কিনা। দেশে সার্বিকভাবে বিরাজমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলার মতো সকলের কাছে মনোপুত একটা জাতীয় বাজেট প্রনয়ন করা খুবই কঠিন কাজ।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, এই বাজেট প্রনয়নে আমি সরকারের আন্তরিকতার পরিচয় পেয়েছি। এই বাজেটের সফল বাস্তবায়ন হোক- আমরা সেটাই আশা করবো। এই বাজেটকে আমরা আরো গভীরভাবে পর্যালোচনা করবো। দেশ ও জনস্বার্থের কথা চিন্তা করে- বাজেট বাস্তবায়নে আমাদের পরামর্শ সরকারের কাছে তুলে ধরবো।
তিনি বলেন, আমরা জানি, বিশ্বব্যাপী দ্রব্যমূল্যের উর্দ্ধগতি বিরাজ করছে। আমরাও সেই সমস্যা ভোগ করছি। তাছাড়াও আমরা দেশে ঘুষ-দুর্নীতি, বেকারত্ব, স্বাস্থ্যসেবা সমস্যা এবং পরিবেশগত বিপর্যের মুখোমুখি আমাদের হতে হচ্ছে। এসব সমস্যা আমাদের সম্মিলিত ভাবে মোকাবেলা করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, যে কোন জাতীয় সমস্যা সমাধানের জন্য সাহায্য চাইলে আমরা অবশ্যই আমাদের সাধ্য মতো সহযোগিতা করবো। যেমন পরিবেশগত সমস্যা মোকাবেলার জন্য দেশব্যাপী ব্যাপক বনায়নের প্রয়োজন আছে। এই ব্যাপারে জনগণকে সচেতন করতে হবে।
রওশন এরশাদ বলেন, আমি আশা করছি, এই বাজেট পাশের আগে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ, বেকার সমস্যা সমাধানের উদ্যেগ গ্রহণ করা, গ্রামীন জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ, ঘুষ ও দুর্নীতি প্রতিরোধে সরকার আরও কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবেন।
তিনি বলেন, আমরা চাই সামনের অর্থবছরের জন্য যে বিশাল বাজেট প্রনীত হয়েছে- সেটা যেনো জনগণের কল্যান ও দেশবাসির জন্য বাস্তবায়িত হয়। দূর্নীতিকে সম্পূর্ণ নির্মূল করতে হবে।








