চট্টগ্রাম থেকে: নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে শুরুতেই চাপে পড়েছিল বাংলাদেশ। ধাক্কা সামলে চ্যালেঞ্জিং পুঁজির ভিত্তি গড়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত ও লিটন দাস। শান্ত সেঞ্চুরি তুলেছেন, সাথে লিটনের ৭৬ রানে কিউইদের ২৬৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে লাল-সবুজের দল।
চট্টগ্রামের বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে টসে হেরে আগে ব্যাটে নামে বাংলাদেশ। নির্ধারিত ওভার শেষে ৮ উইকেটে ২৬৫ রানের সংগ্রহ গড়েছে টিম টাইগার্স। ম্যাচের ধারাভাষ্য প্রচার করছে রেডিও ভূমি।
ব্যাটে স্বাগতিকদের শুরুটা ভালো হয়নি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলে রানের খাতা খোলার আগে আউট হন সাইফ হাসান। আরেক ওপেনার তানজিদ তামিমও সুবিচার করতে পারেননি। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে আউট হন ৫ বলে ১ রানে। তিনে নামা সৌম্য ভালো শুরু পেয়েছেন। ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ৩ চারে ২৬ বলে ১৮ রানে ফিরে যান।
৩২ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। হাল ধরেন লিটন দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। চতুর্থ উইকেট জুটিতে দুজনে যোগ করেন ১৬০ রান। ৩৮.১ ওভারে ১৯২ রানের সময় লিটন বোল্ড হন। ৩ চার ও ১ ছক্কায় ৯১ বলে ৭৬ রান করে।
তাওহীদ হৃদয়কে নিয়ে চোটেন শান্ত, ক্যারিয়ারের চতুর্থ ওয়ানডে সেঞ্চুরি তোলেন। ২০ ম্যাচ পর শতকের দেখা পেলেন। ২০২৪ সালের মার্চে চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অপরাজিত ১২২ করেছিলেন। এদিন ১১৪ বলে সেঞ্চুরির পথে ছিল ৯ চার ও ২ ছক্কার মার।
সেঞ্চুরির পর ইনিংস লম্বা করতে পারেননি শান্ত। ৪৩তম ওভারের শেষ বলে ২২১ রানের সময় জেডিন লিনক্সের বলে বাউন্ডারি লাইনে নাথান স্মিথের ক্যাচ হন। ১১৯ বলে ১০৫ রান করে থামেন।
৪৭.৫ ওভারে ২৫৬ রানে ষষ্ঠ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। মেহেদী হাসান মিরাজ আউট হন ২ চারে ১৮ বলে ২২ রান করে। ৪৯তম ওভারের প্রথম বলে আউট হন শরিফুল ইসলাম। ৩ বল পর তানভীর ফিরে যান।
মোস্তাফিজকে নিয়ে ইনিংস শেষ করেন তাওহীদ হৃদয়। ২ চার ও ১ ছক্কায় ২৯ বলে ৩৩ রান করে হৃদয়, ৫ বলে ৩ রান করে অপরাজিত থাকেন মোস্তাফিজ।
নিউজিল্যান্ড বোলারদের মধ্যে উইল ও’রোর্ক ৩ উইকেট নেন। জেডিন লিনক্স ও বেন লিস্টার দুটি করে উইকেট নেন।








