এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ
জাতীয় দল জার্সিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো প্রথম লাল কার্ড দেখেছেন বৃহস্পতিবার রাতে। যে ফাউল করে কার্ড দেখেছেন, সেটির কারণে ২০২৬ বিশ্বকাপে পৌঁছালে প্রথম দুই বা তিন ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন সিআর সেভেন। আয়ারল্যান্ড ডিফেন্ডার দারা ও’শিয়াকে কনুই মেরে বাছাই ম্যাচে কার্ড দেখেছেন তিনি। ফিফার শৃঙ্খলা সংক্রান্ত নিয়ম বলছে, ম্যাচে কনুই-লাথি বা ঘুষিতে আঘাত করলে দুই-তিন ম্যাচে নিষিদ্ধ হতে পারেন কেউ।
রোনালদোর লাল কার্ডের দিনে আয়ারল্যান্ডের কাছে ২-০তে হেরে গেছে পর্তুগাল। ম্যাচের ৬১ মিনিটে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডার ও’শিয়াকে আঘাত করেন রোনালদো। শুরুতে হলুদ কার্ড দেখানো হলেও ভিডিও সহকারী রেফারির সাহায্য নিয়ে পর্যালোচনার পর তাকে লাল কার্ডে মাঠ ছাড়া করা হয়। ২২৬টি আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলা রোনালদোর এটি পর্তুগাল জার্সিতে পাওয়া প্রথম লাল-দাগ।
সাধারণত সহিংস আচরণে নিষেধাজ্ঞার পরিমাণ কমপক্ষে তিন থেকে দুই ম্যাচের হয়ে থাকে। ১৬ নভেম্বর আর্মেনিয়ার বিপক্ষে পর্তুগালের বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের শেষ ম্যাচ, সেখানে রোনালদো খেলতে পারবেন না। ম্যাচটিতে যদি পর্তুগাল জেতে, পাশাপাশি আয়ারল্যান্ডকে যদি হাঙ্গেরি হারাতে পারে, তাহলে সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে পর্তুগাল। সেক্ষেত্রে রোনালদো কমপক্ষে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেলে বাছাইয়ের শেষ ম্যাচসহ বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না। যদি তিন ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা পান, বাছাইয়ের ম্যাচের পাশাপাশি তিনি বিশ্বকাপে প্রথম দুই ম্যাচে খেলতে পারবেন না।
বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে যদি পর্তুগাল হারে, যদি খেলতে হবে প্লে-অফে। সেখান থেকে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করতে খেলতে হবে দুটি ম্যাচ। সেক্ষেত্রে রোনালদো দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেলে বাছাইয়ের শেষ ম্যাচসহ প্লে-অফে নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেলতে পারবেন। এমনকি তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পেলেও সেটি কাটিয়ে ফেলবেন বিশ্বমঞ্চে যাওয়ার আগেই। তখন পর্তুগাল বিশ্বকাপ নিশ্চিত করতে পারলে রোনালদো ২০২৬ আসরের প্রথম ম্যাচ থেকেই খেলতে পারবেন।
এখনও অবশ্য ফিফা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোন নিষেধাজ্ঞা বা শাস্তির ঘোষণা আসেনি রোনালদোর জন্য। তবে অন্তত এক ম্যাচ, তথা বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে লাল কার্ডের জেরে তার না খেলা নিশ্চিত।







