সোশ্যাল মিডিয়াতে সহজ সরল জীবন যাপন, মজার মজার ছন্দ বলে পরিচিতি পাওয়া কনটেন্ট ক্রিয়েটর রিপন মিয়ার (রিপন ভিডিও) বিরুদ্ধে পরকীয়া ও অনৈতিক সম্পর্কের মতো গুরুতর অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।
১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ানোর অভিযোগে রিপন মিয়াকে আটক করে এলাকাবাসী। নেত্রকোনা সদর উপজেলার নন্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় স্থানীয় সালিশে রিপন মিয়াকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা এবং গ্রাম ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
পরকীয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত রিপন মিয়া সদর উপজেলার দক্ষিণ বিশিউড়া গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিছুদিন আগে রিপন মিয়া পাশের নন্দুরা গ্রামে জমি কিনে বাড়ি নির্মাণ করেন এবং পরিবার নিয়ে বসবাস শুরু করেন।
গ্রামবাসীর ভাষ্য, সম্প্রতি নন্দুরা গ্রামের ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে রিপন মিয়ার অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সোমবার (৩ আগস্ট) বিকেলে তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলেন স্থানীয় লোকজন।
পরে রিপন মিয়াকে আটকে রেখে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করা হয়। সালিশে তাকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয় এবং অবিলম্বে নন্দুরা গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়।
গ্রাম্য সালিশের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে। সেখানে রিপন মিয়াকে হাঁটু গেঁড়ে মাফ চাইতে দেখা যাচ্ছে। এই খবর প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়াতে রিপন মিয়াকে নিন্দা জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগেও স্ত্রী-সন্তানের পরিচয় গোপন রাখা এবং বৃদ্ধ বাবা-মায়ের দেখাশোনা না করার অভিযোগ উঠেছিল রিপন মিয়ার বিরুদ্ধে। সে সময় বিষয়টিকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
পরে নিজের মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছিলেন রিপন মিয়া।
পরকীয়ার অভিযোগ ধরার পর ওই সালিশি ভিডিওতে দেখা যায়, রিপন মিয়া এক বৃদ্ধর পায়ে ধরে বলছেন, আমাকে আপনাদের মাঝে থাকতে হবে। মানুষই ভুল করে। আমিও ভুল করে ফেলেছি। আমাকে মাফ করে দেন।
তবে সালিশ ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে অভিযুক্ত রিপন মিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি তার ব্যবহৃত মোবাইলফোনও বন্ধ পাওয়া গেছে।







