রাঙ্গামাটিতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকায় শহরে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান। আজ রোববার সকাল ১১টায় এ সিদ্ধান্ত হয়েছে। রাঙ্গামাটির সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আজ বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সম্প্রীতি সভার আয়োজন করা হয়েছে।
তাছাড়া আজ সকাল সাড়ে ১১টায় রাঙ্গামাটিতে সংঘর্ষ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন এলাকা, প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছেন রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান এবং জেলা পুলিশ সুপার ড.এস এম ফরহাদ হোসেন। এ সময় সেনাবাহিনী, পুলিশসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান জানান, বর্তমানে রাঙ্গামাটির সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকার কারণে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রাঙ্গামাটিতে জারিকৃত ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করা হয়েছে।
তিনি বলেন, রাঙ্গামাটি অনাকাঙ্খিত ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণে জেলায় একটি কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে, তারা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরুপণ করে জেলা প্রশাসনকে দিলে আমরা তা মন্ত্রণালয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করবো। আশা করছি ক্ষতিগ্রস্তদের সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে।
জেলা পুলিশ সুপার এস এম ফরহাদ হোসেন জানান, গত ২০ তারিখে রাঙ্গামাটিতে সহিংসতার ঘটনায় ২টি মামলা করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে সহিংসতায় জড়িতদের দ্রুতই আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান তিনি।
সংঘর্ষের পর গত শুক্রবার রাত থেকেই সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবির অতিরিক্ত টহলদল শহরের গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টে টহল দিচ্ছে। বর্তমানে রাঙ্গামাটি শহরে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।
এদিকে, তিন পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবানে গত শনিবার সকাল ৬টা থেকে ‘সিএইচটি ব্লকেড’ নামে সড়ক ও নৌপথ অবরোধ চলছে এবং গাড়ী ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে মালিক শ্রমিক ঐক্য পরিষদের ডাকা অনির্দিষ্টকালের পরিবহন ধর্মঘটও চলছে।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ বিকেল ৩টায় জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে সম্প্রীতি সভার আয়োজন করেছে জেলা প্রশাসক।







