রেখার সঙ্গে তার সেক্রেটারি ফারজানার সম্পর্ক নিয়ে ভারতের সংবাদমাধ্যমে চলছে চর্চা। সামাজিক মাধ্যমেও চলছে তোলপাড়। সংবাদমাধ্যমগুলোতে দাবী করা হয়েছে ২০১৬ সালে প্রকাশিত ইয়াসের উসমানের লেখা রেখার আত্মজীবনী ‘দ্য আনটোল্ড স্টোরি’-তেই নায়িকার জীবনের অজানা এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন ইয়াসের উসমান।
সম্প্রতি টুইটারে বিবৃতি দিয়ে লেখক বলেন, ‘আমার বইয়ের কথা উল্লেখ করে রেখার লিভ-ইন রিলেশনশিপ নিয়ে যেভাবে সংবাদমাধ্যমে লেখা হয়েছে, তা পুরোপুরি ভুয়া ও বিভ্রান্তিমূলক।’
তিনি আরও বলেন, ‘লেখাগুলো মিথ্যাচারে পরিপূর্ণ। বিষয়টি নিয়ে সেনসেশন তৈরির চেষ্টা চলছে। মিডিয়াতে যে সকল উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হচ্ছে তা আমার বইতে উল্লেখ করা হয়নি’।
তিনি আরও যোগ করেন, “পুরো বইয়ের কোনও অংশে ‘লিভ ইন রিলেশনশিপ’ এই কথাটি ব্যবহার করা হয়নি।…. কোথাও লেখা হয়নি দুজনের মধ্যে যৌন সম্পর্ক রয়েছে।”
‘ক্লিক’ পাওয়ার আশায় রেখার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সংবাদমাধ্যমের এই ধরনের আচরণে ক্ষুব্ধ লেখক। তিনি প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছেন।
ভারতের গণমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে রেখার জীবনীতে ইয়াসের উসমান লিখেছেন, ব্যক্তিগত সহকারী ফারজানা ছাড়া আর কেউই রেখার বেডরুমে ঢোকার অনুমতি পান না। তিনি লিখেছেন, ‘ফারজানা রেখার পারফেক্ট সঙ্গী। তিনি পরামর্শদাতা, বন্ধু এবং সমর্থক এবং তাকে ছাড়া রেখা থাকতেই পারেন না। রেখার বিশ্বস্ত সেক্রেটারি ফারজানা, যাকে অনেকেই তার প্রেমিকা বলেন, তিনিই একমাত্র রেখার বেডরুমে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন। বাড়ির পরিচারক-পরিচারিকাদেরও সেখানে প্রবেশের অনুমতি নেই’।
আরও লেখা হয়েছে, ‘রেখার জীবন এবং বাড়ির সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করেন ফারজানা। তাকে ছাড়া রেখার কাছে যাওয়ার উপায় নেই। রেখার সকল ফোনও প্রথমে ফারজানা ধরেন। তিনি রেখার জীবনের প্রতি মুহূর্ত গুছিয়ে দেন। রেখার অসাধারণ সাজসজ্জার পিছনেও ফারজানারই অবদান আছে।’
দিল্লির ব্যবসায়ী মুকেশ আগরওয়ালকে ১৯৯০ সালে বিয়ে করেছিলেন রেখা। তবে তাদের দাম্পত্য সাত মাসের বেশি স্থায়ী হয়নি। দিল্লির ফার্মহাউসে রেখারই ওড়না গলায় লাগিয়ে ফাঁস দেন ও আত্মঘাতী হন। তবে তার সুইসাইড নোটে লেখা হয়েছিল, ‘এই মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নন’।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস







