পটুয়াখালীতে ধর্ষণের শিকার জুলাই আন্দোলনে ‘শহীদ’ মোহাম্মদ জসিম হাওলাদারের কন্যার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে।
শনিবার (২৬ এপ্রিল) রাত ১০টার দিকে রাজধানীর শেখের টেকের ভাড়া বাসায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়ার পর তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে যান বিএনপি, এনসিপি এবং জুলাই ফাউন্ডেশনের নেতাকর্মীরা। তারা সবাই দ্রুততম সময়ে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
জুলাই আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে শহীদ হন মোহাম্মদ জসিম হাওলাদার। তাকে পটুয়াখালীর দুমকিতে দাফন করা হয়। গত ১৮ মার্চ বাবার কবর জিয়ারত করে ফেরার পথে গণধর্ষণের শিকার হন তিনি। এরপর পুরো পরিবার বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন শহীদ কন্যা। এরপর নিয়মিত চিকিৎসা নিয়ে আসছিলেন তিনি। তবে মানসিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছিল না তার। শনিবার রাতে ঢাকার ভাড়া বাসায় তার মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান স্বজনরা। স্বজনরা তাকে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। স্বজনরা আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করেছেন।
বিএনপি, এনসিপি ও জুলাই ফাউন্ডেশনের নেতাকর্মীরা ধর্ষকদের সর্বোচ্চ শাস্তি দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে আদাবর থানার পুলিশ জানিয়েছে, সুরতহাল করা হয়েছে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেয়া হবে।
স্বজনরা অভিযোগ করেছেন এখন তারা ধর্ষকদের পরিবার থেকে হুমকি ধামকি পাচ্ছেন এজন্য তারা আতঙ্কিত।








