টানা আট জয়ে সবার আগে প্লে-অফ নিশ্চিত করেছিল রংপুর রাইডার্স। পরে টানা চার হারে কোয়ালিফায়ারে খেলার সুযোগ হারায়। এলিমিনেটরে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে নামার আগে শক্তি বাড়াতে টিম ডেভিড, আন্দ্রে রাসেল ও জেমস ভিন্সের মতো তারকাদের এনেছে রংপুর। মিরপুরের উইকেটে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি তাদের কেউই। মেহেদী হাসান মিরাজ ও নাসুম আহমেদের দাপুটে বোলিংয়ে শতরানের আগে থেমেছে গ্লোবাল চ্যাম্পিয়ন দলটি। কোয়ালিফায়ারে খেলতে খুলনার দরকার ৮৬ রান।
শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্লে-অফের প্রথম ম্যাচ এলিমিনেটরে টসে জিতে আগে ব্যাটের সিদ্ধান্ত নেয় রংপুর। ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১৬.৫ ওভারে ৮৫ রানে গুটিয়ে যায় দলটির ইনিংস।
শুরু থেকে রংপুরকে চেপে ধরে খুলনা। ১৫ রানে ৫ ব্যাটার হারায় দলটি। ষষ্ঠ উইকেট জুটিতে আসে ১৭ রান। টিম ডেভিডও ফিরে যান দ্রুতই। সপ্তম উইকেটে ১৮ রান যোগ করেন নুরুল হাসান সোহান ও আন্দ্রে রাসেল। ৫০ রানে রাসেল ফিরে যান। দুই রান যোগ করতে না করতেই আরও দুই উইকেট হারায় দলটি। ফিরে যান রাকিবুল হাসান ও নুরুল হাসান সোহান।
শেষ উইকেটে নাহিদ রানাকে সঙ্গী করে লড়াই চালিয়ে যান আকিফ জাভেদ। শেষপর্যন্ত ৮৫ রানে আকিফ ফিরে গেলে গুটিয়ে যায় রংপুরের ইনিংস। চারটি চার ও দুটি ছক্কায় ১৮ বলে ৩২ রান করেন আকিফ। নুরুল হাসান সোহান ২৫ বলে ২৩ রান করেন। বাকিদের কেউই নামের সাথে সুবিচার করতে পারেননি।
রংপুরের নতুন করে দলে টানা তিন বিদেশির কেউই ভালো করতে পারেননি। তিন তারকা ব্যাটার মিলে করেছেন ১২ রান। ওপেনার জেমস ভিন্স ৭ বলে ১ রান, টিম ডেভিড ৯ বলে ৭ রান এবং আন্দ্রে রাসেল করেন ৪ রান।
খুলনার হয়ে মিরাজ ৪ ওভারে ১০ রান খরচায় নেন ৩ উইকেট। নাসুম ১৬ রান খরচায় উইকেট নেন ৩টি। হাসান মাহমুদ, মুশফিক হাসান ও মোহাম্মদ নাওয়াজ নেন একটি করে উইকেট।








