মারমার-কাটকাট সংস্করণের বিশ্বকাপে দাপট দেখিয়েছে বৃষ্টিও। সুপার টুয়েলভ পর্বের তিনটি ম্যাচ মাঠে গড়াতে দেয়নি মেলবোর্নের বেরসিক আবহাওয়া। অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় মাঠে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচেও আছে বৃষ্টির পূর্বাভাস। তাতে ফাইনালের রোমাঞ্চ, ১৯৯২ সালের পুনরাবৃত্তি, প্রতিশোধ বা ডাবল শিরোপা জয়ের রোমাঞ্চে ভাটা পড়ার শঙ্কা জেগেছে।
শুক্রবারের আবহাওয়া বার্তায় বলা হয়েছে, ১৩ তারিখ ফাইনালের দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা ৯৫ শতাংশ। সেদিন ১৫-২৫ মিলিমিটারের মতো বৃষ্টি ভাসিয়ে দিতে পারে ফাইনাল। সেক্ষেত্রে রিজার্ভ ডে অর্থাৎ, ১৪ নভেম্বর গড়াবে ফাইনাল। সমস্যা সেখানেও। সেদিনও রয়েছে ৯৫ শতাংশ বৃষ্টির পূর্বাভাস।
যদি এমন হয়, তাহলে কি হবে? বৃষ্টি হলেও চেষ্টা করা হবে যাতে রোববারই শিরোপা নির্ধারণ করা যায়। যদি সেটা সম্ভব না হয়, ওভার কমিয়ে আনা হবে। বৃষ্টির কারণে ম্যাচের ফল আনার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলে ম্যাচের লক্ষ্যে নামা দলের কমপক্ষে ১০ ওভার খেলতে হবে। গ্রুপপর্বে যেটি ৫ ওভারের বিবেচনায় আনা হতো। যদি তেমন না হয় তাহলে ম্যাচ গড়াবে রিজার্ভ ডেতে।
রোববার টস হলেই ম্যাচ শুরু হয়েছে বলে ধরে নেবে আইসিসি। বৃষ্টি বাধায় ফাইনালের যে জায়গায় ম্যাচ স্থগিত হবে, পরেরদিন অর্থাৎ রিজার্ভ ডেতে সেখান থেকেই খেলা শুরু হবে। এমনিতে ফাইনালে অতিরিক্ত ৩০ মিনিট রাখা হলেও রিজার্ভ ডেতে ফল আনতে রাখা হয়েছে অতিরিক্ত চার ঘণ্টা।
খেলা রিজার্ভ ডেতে গড়ানোর আগে যদি ওভার কমে আসা খেলা ১০ ওভারের আগে শেষবার বন্ধ হয়, তাহলে পরেরদিন ২০ ওভার ধরেই খেলা শুরু হবে। রিজার্ভ ডেতেও যদি বৃষ্টি হানা দেয় যদি, সেক্ষেত্রে ওভার কমে আসতে পারে। যদি সেটিও না হয়, তাহলে যুগ্মভাবে শিরোপা দেয়া হবে পাকিস্তান ও ইংল্যান্ডকে।







