ভারতের কেরালার কোচিতে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্র র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে। নিহত ছাত্র তিরুভানিয়ারের গ্লোবাল পাবলিক স্কুলের শিক্ষার্থী ছিলেন। অভিযোগ উঠেছে, র্যাগিংয়ের নামে নিহত ছাত্রকে দিয়ে টয়লেট সিট চাটানো হয়েছিল।
গত ১৫ জানুয়ারি স্কুল থেকে বাসায় ফিরে নিজ ভবনের ২৬ তলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করে সে। তার মায়ের দাবি, স্কুলে তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করা হয়েছিল, যার ফলে সে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিল।
সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
পুলিশের কাছে পরিবারের অভিযোগ
এই ঘটনার পর পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছে। ত্রিপুনিথুরার হিল প্যালেস থানায় এফআইআর করা হয়েছে। পাশাপাশি, ছাত্রের মা শিশু কমিশনেও চিঠি লিখে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। এমনকি, অভিযোগ রয়েছে যে, ছাত্র যে স্কুলে আগে পড়ত, সেখানকার সহ-প্রধান শিক্ষকও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছিলেন।
পরিবারের অভিযোগ ও তদন্ত
মিডিয়া সূত্রে জানা গেছে, ছাত্রের মা জানিয়েছেন যে তার ছেলে ছিল একদম প্রাণোচ্ছল ও হাসিখুশি। কিন্তু স্কুলে বারবার মানসিক ও শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিল সে। এমনকি স্কুল বাসেও তাকে অপমানের মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ঘটনার পর পরিবারের লোকজন তার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বার্তাগুলো খতিয়ে দেখে, যেখানে বহু চমকপ্রদ তথ্য উঠে আসে।
ন্যায়বিচারের দাবিতে আন্দোলন
এই ঘটনার পর ছাত্রের বন্ধুরা তার নামে একটি ইনস্টাগ্রাম পেজ খুলে ন্যায়বিচারের দাবি তোলে। তবে অভিযোগ রয়েছে, স্কুল প্রশাসনের চাপের কারণে ওই পেজ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ছাত্রের মা অভিযোগ করেছেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।
এই ঘটনার পর ছাত্রের বন্ধুরা তার নামে একটি ইনস্টাগ্রাম পেজ খুলে ন্যায়বিচারের দাবি তোলে। তবে অভিযোগ রয়েছে, স্কুল প্রশাসনের চাপের কারণে ওই পেজ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। ছাত্রের মা অভিযোগ করেছেন, স্কুল কর্তৃপক্ষ এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে, যাতে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।








