চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও বিভিন্ন দলেরর ডাকা অবরোধে জনগণের জানমাল রক্ষায় র্যাবের ৪৬০টি টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু মাত্র ঢাকায় ১৬০টি টহল দল মোতায়েন করা হয়েছে।
রোববার (১২ নভেম্বর) সকালে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীতে র্যাব ফোর্সেস এর ১৬০টি টহল দল মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া রাজধানীরসহ সারা দেশে ৪৬০টি টইল দল মোতায়েন রয়েছে। এছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও সড়কসমূহে র্যাব ফোর্সেস এর রোবাস্ট টহল পরিচালিত হচ্ছে। যাত্রী ও পন্য পরিবহনে নিরাপত্তা প্রদানে দেশের বিভিন্ন স্থানে দূরপাল্লার গণপরিবহন ও পণ্যবাহী পরিবহন’কে স্কর্ট প্রদানের মাধ্যমে নিরাপদে গন্তব্যস্থলে পৌছে দিচ্ছে র্যাব।
কমান্ডার মঈন বলেন: স্বার্থান্বেষী মহল কর্তৃক মিথ্যা তথ্য/গুজব ছরানোর মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির সাথে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে সার্বক্ষনিক সাইবার নজরদারি পরিচালনা করছে র্যাব।

গত ২৮ অক্টোবর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে মহাসড়কে অগ্নিসংযোগ, গণপরিবহনও ব্যক্তিগত পরিবহনে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগসহ দেশব্যাপী বিভিন্ন ধরণের সহিংসতা ও নাশকতার ঘটনায় জড়িতদের’কে সিসিটিভি ফুটেজ, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভিডিও ফুটেজ এবং সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি বিশ্লেষণ করে শনাক্ত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি সহ কার্যক্রম পরিচালনা করছে র্যাব। এখন পর্যন্ত হামলা ও নাশকতায় দেশের বিভিন্ন স্থানে জড়িত সর্বমোট ৩৫০ ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব।
গত ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশে হামলা, পুলিশ হত্যা, গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে এবং সরকার পতনের এক দফা দাবিতে এর আগে ২৯ অক্টোবর হরতাল এবং ৩১ অক্টোবর, ১ ও ২ নভেম্বর মোট তিন দিনের অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি-জামায়াত ও তাদের শরিকরা। তারপর ৫ ও ৬ নভেম্বর দ্বিতীয় দফায়, ৮ ও ৯ নভেম্বর তৃতীয় দফায় অবরোধ কর্মসূচি পালন করে তারা। আর আজ থেকে শুরু হলো চতুর্থ দফায় ৪৮ ঘণ্টার অবরোধ।







