ফ্রান্স-ইতালি-আলবেনিয়ায় বিক্ষোভ, বাড়ছে সহিংসতা

জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি আর সরকারি সেবার সংকট, ইউরোপজুড়ে বাড়ছে জনঅসন্তোষ। ফ্রান্স, ইটালি থেকে আলবেনিয়া বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ ঘিরে বাড়ছে উত্তেজনা, সংঘর্ষ ও লুটপাট।
ফ্রান্সে সহিংস বিক্ষোভ মোকাবিলায় ব্যর্থতার কথা স্বীকার করেছে সেদেশের সরকার। আগামী শনিবার নতুন করে বড় বিক্ষোভের ডাক ঘিরে পুলিশের পাশাপাশি সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে এমানুয়েল মাক্রোঁ প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানিয়েছেন, নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসংখ্যা বহুগুণ বাড়ানো হবে।
গত ১৭ অক্টোবর প্যারিস, মার্সেই ও লিওঁসহ বিভিন্ন শহরে দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় কারফিউও জারি করা হয়, বর্তমানে পরিস্থতি স্বাভাবিক রয়েছে। এদিকে, ইটালির মিলানে সহিংস বিক্ষোভে প্রায় ১০ লাখ ইউরোর ক্ষয়ক্ষতির পর অতিরিক্ত ৫০০ সেনা মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি।
নতুন প্রস্তাবে সহিংস বিক্ষোভে অংশ নেওয়ার অপরাধে পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদ- ও ২০ হাজার ইউরো জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। অপ্রাপ্তবয়স্কদের কারণে সম্পত্তির ক্ষতি হলে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে তাদের অভিভাবকদের।
অন্যদিকে, আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় টানা অষ্টম দিনের মতো সরকারবিরোধী বিক্ষোভে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। টিউশন ফি কমানো, শিক্ষা খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দুর্নীতি বন্ধ ও প্রধানমন্ত্রী এদি রামার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।
জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, জীবনযাত্রার ব্যয় এবং সরকারি সেবার মান নিয়ে অসন্তোষ থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে বিক্ষোভ। বাজেট ঘাটতি ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে জনঅসন্তোষ আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।






