যুক্তরাজ্যে অবস্থানকালে স্বয়ংক্রিয় পুলিশ সুরক্ষার অধিকার নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলায় হেরে গেছেন প্রিন্স হ্যারি। রাজকীয় দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর পুলিশি নিরাপত্তা হারানোর বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে তিনি এ মামলা করেছিলেন।
এনডিটিভি জানিয়েছে, ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর সিদ্ধান্ত নেয়, হ্যারি আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরকারি পুলিশি নিরাপত্তা পাবেন না। এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ দাবি করে হ্যারি লন্ডনের হাইকোর্টে আবেদন করেন, কিন্তু আদালত তা খারিজ করে দেয়। পরে আপিল করলেও ব্রিটিশ আপিল আদালতের তিনজন জ্যেষ্ঠ বিচারক হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন।
বিচারপতি জিওফ্রে ভোস বলেন, ডিউক অফ সাসেক্স যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দ্বারা অবিচারের শিকার বলে অনুভব করলেও আইনি ভিত্তিতে তার দাবি প্রতিষ্ঠিত হয়নি। তিনি বলেন, হ্যারির আইনজীবীরা শক্তিশালী ও গতিশীল যুক্তি তুলে ধরলেও, তা আইনত গ্রহণযোগ্য প্রমাণে রূপান্তরিত হয়নি।
প্রিন্স হ্যারি ও তার স্ত্রী মেগান মার্কেল ২০২০ সালে রাজকীয় দায়িত্ব ত্যাগ করেন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন। চলতি বছরের এপ্রিল মাসে মামলার শুনানিতে হ্যারি ব্যক্তিগতভাবে উপস্থিত ছিলেন। তার আইনজীবী শহীদ ফাতিমা আদালতে বলেন, এই মামলার মানবিক দিকটি ভুলে যাওয়া উচিত নয়। হ্যারির জীবন ঝুঁকিতে রয়েছে। তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
হ্যারির আইনজীবীরা বলেন, সম্প্রতি আল কায়েদা তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে এবং ২০২৩ সালে নিউইয়র্কে মেগানের সঙ্গে পাপারাজ্জিদের ধাওয়ার মুখে পড়েছিলেন তারা। তবে সরকারের আইনজীবীরা যুক্তি দেন, সাসেক্সের ডিউকের জন্য নির্ধারিত নিরাপত্তা পদ্ধতি সুনির্দিষ্ট মূল্যায়নের ভিত্তিতে করা হয়েছে এবং এটি তার জন্য আলাদা সুবিধা প্রদান করে।








