চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
  • আরও
    • কর্পোরেট নিউজ
    • কৃষি
    • তথ্যপ্রযুক্তি
    • মতামত
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর: ভারসাম্যের রাজনীতি ও কৌশল

জান্নাতুল বাকেয়া কেকা জান্নাতুল বাকেয়া কেকা
৭:০১ অপরাহ্ণ ২৮, জুন ২০২৬
মতামত
A A

অতি সম্প্রতি ২৩ থেকে ২৬ জুন ২০২৬ চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে চীন সফর করেছেন চারমাস বয়সী বর্তমান রাজনৈতিক সরকার। যদিও বৃহৎ দুই প্রতিবেশী ও উন্নয়ন সহযোগি দেশ ভারত চীনকে পাশ কাটিয়ে তৃতীয় দেশ মালেয়েশিয়া হয়ে চীনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আঞ্চলিক বিশ্লেষক ও বোদ্ধারা বিষয়টিকে ভারসাম্যের রাজনীতি ও কৌশল বলেই মত ব্যক্ত করেন।

নতুন সরকারের মেয়াদে প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে মালেযেশিয়ার কুয়ালালাপুর সফর শেষ করেন চীনের সফর শুরু করেন। তাই বহুল আলোচনার দিল্লী বা বেইজিং সফর না করে তৃতীয় দেশ মালেয়েশিয়াতে সফর ছিল কৌতুহল উদ্দীপক। এর চেয়েও বেশি আলোচিত ছিল চার দিনের চীন সফর।

এই সফরে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ব্যস্ততম সময় কাটিয়েছেন। আলোচনায় এসেছে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের বক্তব্য। লি কিয়াং তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে জানিয়েছেন, চীন বাংলাদেশের নতুন সরকারকে পুরোপুরি সমর্থন করে এবং সুশাসন ও জাতীয় উন্নয়নের সহায়তা করতে প্রস্তুত। বেইজিংয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বতে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার কথা বলেন। তিনি বহুল আলোচিত বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতাকে এগিয়ে নেওয়ার দৃঢ আগ্রহ প্রকাষ করেন। চীনের তরফে এই যে প্রত্যাশা তা বহুল প্রত্যাশিত। আর এমনটা কাম্য তা বোঝার জন্য গভীর বিশ্লেষণের খুব একটা দরকার হয় না।

Banglabid

 

তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপেং এর একটি বক্তব্য নিয়ে বিশ্লেষণের দায় থেকেই যায়। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কে তৃতীয় কোনো দেশের হস্তক্ষেপ মানবে না বেইজিং। তিনি আরো বলেন, বেইজিং দ্বিপক্ষীয় ও আঞ্চলিক বিষয়ে চীন সবসময় বাংলাদেশের জাতীয় স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব এবং ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষার পক্ষে জোরালো অবস্থান নিয়েছে। শি জিনপিং এর এই বক্তব্যের বিপরীতে খানিক বলার আছে।

দেশটি প্রেসিডেন্ট যা বলেছেন, সেই বক্তব্যের বাস্তবতা কতটুকু? অন্তবর্তীকালে স্বাধীনতা বিরোধী রাজনৈতিক ধর্মান্ধ কট্টরপন্থী উগ্র রাজনৈতিক দল ও নিজ দেশের স্বাধীনতা একাত্তরের চেতনা মুক্তিযুদ্ধকে হেয় করা অস্বীকার করা ছাত্র নেতাদের প্রকাশে উপহার দিয়েছেন না? স্বদেশ স্বাধীনতার বিরোধীতাকারীদের আস্ফালনে স্বদেশ স্বাধীনতাপন্থিরা যখন কষ্ট পেয়েছেন মর্মাহত হয়ে শোকাচ্ছন্ন সেই তখন কাটা ঘায়ে নূনের ছিটা ছিল সেই স্বদেশ স্বাধীনতা অস্বীকারকারী ছাত্র শিক্ষার্থী এবং কট্টরপন্থী দলটির নেতৃত্বনস্থানীয়দেন চীনে নিয়ে আদর আ্যাপায়ন।

Reneta

চীন অতীতের হিসেবে পরাজিত পাকিস্তানের পক্ষে নিয়ে যদি রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্মের গৌরবময় মাহাত্ম্য ভোলানোর কাজে আবারো পুরাতনপন্থি হয় তবে এদেশের স্বদেশ স্বাধীনতা পন্থি বৃহৎ জনগোষ্ঠূর আস্থা কি অর্জন করতে পারবে? কিভাবে আঞ্চলিক শক্তিধর দেশ হিসেবে প্রতিবেশির প্রতি সদাচার করবে?

চীন হালে আমলে এদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধকে অস্বীকারকারী অপশক্তিকে নিজ দেশে আমন্ত্রন জানিয়ে আদর কদর করে স্বদেশ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তিকে প্রকাশে সমর্থন জানালে তো বৃহৎ জনগোষ্ঠীর আকাঙ্খার প্রতি বেত্রাঘাত করা হয়। ইতোমধ্যে চীন স্বাধীন সার্বভৌম্য রাষ্ট্র বাংলাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকারী ধর্মান্ধ উগ্র কট্টরপন্থীদের প্রকাশ্যে পেলে পুষে তাদের পক্ষে থাকার নগ্ন নজীর সৃষ্টি করেছে৷ আর এর সবই তো দৃশ্যমান সত্য।

চীন সেই একটি দেশ, যে দেশ কঠোরভাবে নিজ দেশের জনগণের মতামত ও মতাদর্শ প্রকাশের ওপর নজরদারি করে। নিজ দেশের জনগণ সরকারের বিরুদ্ধে একটি “টু শব্দ”ও উচ্চারণ করতে পারে না। দেশটির শাসকেরা নাগরিকদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, চাকরি এবং অন্যান্য মৌলিক চাহিদা পূরণের যতটা সম্ভব ব্যবস্থা করে। বিনিময়ে সরকার ও শাসকদের বিরুদ্ধে যাবে—এমন কোনো বক্তব্য প্রকাশের সুযোগ সীমিত থাকে।

আমরা কোভিড-১৯ পরবর্তী সময়ে চীন ভ্রমণকালে উহান বা চীনের করোনা পরিস্থিতি, মৃত্যুর সংখ্যা কিংবা চিকিৎসাব্যবস্থা কীভাবে ইতিবাচকভাবে সামলানো হয়েছিল—সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কিংবা সাধারণ জনগণের প্রকাশ্য বক্তব্য খুব বেশি দেখতে পাইনি। নিজ দেশের প্রতি, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও সরকারের প্রতি জনগণের এই সমর্থনের বিষয়টি বিভিন্ন দেশের জন্য শিক্ষণীয় হতে পারে।

তবে বাস্তবে চীনের শাসনব্যবস্থাকে অনেক গবেষক একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা হিসেবে বর্ণনা করেন। যেখানে রাজনৈতিক বিরোধিতা, সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন মতপ্রকাশের ওপর উল্লেখযোগ্য নিয়ন্ত্রণ রয়েছে। একই সঙ্গে চীনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসও বৈশ্বিকভাবে আলোচিত বিষয়।

যদিও বাস্তবতায় দেখি, চীন তাদের সাম্রাজ্যবাদী ও ভূ-রাজনৈতিক কৌশলের মাধ্যমে বিশ্বের দেশে দেশে ব্যবসায়ীক বিনিয়োগের মাধ্যমে আধিপত্য বিস্তার করে চলছে। এক্ষেত্রে আধিপত্য ও ব্যবসায়ীক স্বার্থের মোহে অনেক দেশের স্বদেশ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির সাথে সখ্যতা গড়ে তুলছে। যে দেশের নেতৃত্বের বৈশ্বিক রাজনীতিতে ভারসাম্যের বলয় তৈরি হয় সেই দেশ কেন আঞ্চলিক পর্যায়ের সাম্রাজ্যবাদী ঔপনিবেশবাদের আগ্রাসন চালাবে?

বিভিন্ন দেশের জনগণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে—এমন অভিযোগ রয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে সম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে তারা নিজেদের কৌশলগত অবস্থান শক্তিশালী করার চেষ্টা করে। তবে একবারও ভাবছে না, প্রায় দেড়শ কোটি জনসংখ্যার দেশে তার চেয়ে বড় কোনো আগ্রাসী শক্তি যদি তার মতোই গেম খেলে, তবে তাদের ঘর তাসের ঘরের ন্যায় ধসে যাবে। সর্বোপরি, ইরান, ভেনিজুয়েলা ছাড়াও হালের মিয়ানমারের যে কর্তৃত্ববাদী বিভাজন এবং অস্থিরতার গেম চলছে, তাতে শেষ লক্ষ্য বা মূল টার্গেট কিন্তু চীনই। সেই ভূ-রাজনৈতিক কৌশলে বাংলাদেশের সঙ্গে গত নূতন সরকার যে কৌশলগত ঝামেলা তৈরি করে গেছে, সেই ফাঁদে চীন-ভারত-পাকিস্তানের ত্রিমুখী সংকটের শেষ জালে নাস্তানাবুদ করার টার্গেটে এশিয়ার এই পরাশক্তি চীনকে ঘায়েল করাই উদ্দেশ্য। তথাপিও চীন, রাশিয়া, ভারত, আফ্রিকার কতক দেশসহ ল্যাটিন আমেরিকার কিছু রাষ্ট্রের যে অভিন্ন মুদ্রা চালুর মাধ্যমে ডলারের বিপরীতে নতুন মুদ্রার মাধ্যমে মাথা তুলে দাঁড়ানোর চেষ্টা—সেই কাজে গতি কমবে।

পুরো এশিয়ার পরাশক্তি এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম আঞ্চলিক শক্তির আধার চীন। দেশটির কল্যাণে বৈশ্বিক রাজনীতিতে একক ক্ষমতার বিপরীতে খানিকটা ভারসাম্য রাখার চেষ্টা আছে। যদিও বিপরীতে আছে কট্টর অ্যাপস্টেইনপন্থী ইহুদি শক্তির মূল্যবোধহীন অপার ষড়যন্ত্র—এমন অভিযোগও রয়েছে।

চীন, ভারত ও রাশিয়ার শক্তিশালী বলয়ের সঙ্গে ছিল ভেনিজুয়েলার মতো কতক ল্যাটিন আমেরিকান ও আফ্রিকার দেশ। এই বলয়ের প্রভাবেই বৈশ্বিক রাজনীতির নির্লজ্জ ও বেপরোয়া শক্তির বিপরীতে খানিকটা ভারসাম্য রয়েছে। যদিও ভারত-চীন, ভারত-পাকিস্তান, বাংলাদেশ-পাকিস্তান রাষ্ট্রের পুরোনো ও জিইয়ে থাকা সমস্যার ত্রিমুখী সংঘর্ষে যেকোনো সময় ভারসাম্যের এই বলয়ে ফাটল ধরতে পারে।

 

আর এ কারণে চীনের তরফে আগ বাড়িয়ে তার প্রতিবেশী দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ বৈশ্বিক ভারসাম্যের বলয়টিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। কেননা, চীন সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরোধী শক্তিগুলোকে ফুয়েল দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তাতে বৈশ্বিক ভারসাম্যের রাজনীতিই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

ভারত, চীন, রাশিয়া, আফ্রিকা ও ল্যাটিন আমেরিকার সাম্রাজ্যবাদবিরোধী জোটকেই এটি ক্ষতিগ্রস্ত করবে। আর হালের বাংলাদেশে নিয়ন্ত্রণ বা পরাজিত পাকিস্তানের এদেশীয় এজেন্টগণ যেভাবে পুরোনো বন্দোবস্তে বাংলাদেশকে ফেরাতে চাইছে, তাতে যদি চীন আলোর বিপরীতে কিংবা অন্ধকারে, টেবিলের নিচ দিয়েও তার কৌশলী গেম খেলতে থাকে, তবে আখেরে ক্ষতি হবে চীনের।

কারণ, “বঙ্গদেশ”-এর এই বৃহত্তর বাংলা অঞ্চলের স্বদেশি মীর জাফরেরাই সেই ১৭৫৭ সালে সাম্রাজ্যবাদী ঔপনিবেশিক আগ্রাসক শক্তির হাতে নিজ দেশকে তুলে দিয়েছিল। সেই চিহ্নিত বিশ্বাসঘাতক জনগোষ্ঠীর প্রতি আস্থা রেখে সুদূরপ্রসারী কোনো বৃহৎ গেমে গেলে চীনকে “নাকে খত” দিয়েই মাশুল দিতে হবে—এমন আশঙ্কা থেকেই যায়।

তাই অবশ্যই চীনের উচিত হবে রাষ্ট্র বাংলাদেশ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং বাঙালি জাতিসত্তার পরিচয়ের প্রতি সম্মান বজায় রাখা। রাষ্ট্র বাংলাদেশের বিরোধিতাকারী কোনো কট্টরপন্থী ধর্মান্ধ রাজনৈতিক শক্তিকে উসকে না দেওয়া। তাতে আঞ্চলিক শক্তির টক্করে বৈশ্বিক শক্তির সুযোগ সৃষ্টি হবে। বৈশ্বিক শক্তির বিরুদ্ধে চীন-ভারত-রাশিয়ার অলিখিত যে শক্তির ভারসাম্য রয়েছে, সেই জোটও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

এক্ষেত্রে চীন যদি বাংলাদেশ রাষ্ট্রবিরোধী শক্তিকে সহায়তা দিয়ে রাষ্ট্র বাংলাদেশের পতন ঘটাতে চায়, তবে নিজের স্বার্থও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিষয়টি গোঁদের ওপর বিষফোঁড়ার মতো। দক্ষিণ এশিয়ার ভারত-চীন, ভারত-পাকিস্তান কিংবা বাংলাদেশ-পাকিস্তানের পুরোনো বিরোধ চাঙ্গা করে যে তুষের আগুনে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে, তাতে চীনেরই ক্ষতি হতে পারে।

কেননা, বাঙালি জাতিসত্তার পরিচয়ের বাইরে রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্মের গৌরবময় অধ্যায় ১৯৭১-কে বিলীন করে স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির উত্থান ঘটলে বাংলাদেশের কট্টরপন্থীরা সুযোগ পেতে পারে। তবে এই অজুহাতে সাম্রাজ্যবাদী, ঔপনিবেশিক আগ্রাসী শক্তি—যাদের নীতি-নৈতিকতা ও ন্যূনতম মূল্যবোধহীন কর্মকাণ্ডের অভিযোগ রয়েছে—তারা এ অঞ্চলে হামলা বা আগ্রাসনের সুযোগ পেতে পারে।

তাই চীনের উচিত হবে তার নিজের অস্তিত্বের স্বার্থেই ভারতবিরোধিতার চিরবৈরিতার সুযোগ আর কাউকে না দেওয়া। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র বাংলাদেশের স্বাধীনতার মাহাত্ম্য ও গৌরবের প্রতি একচ্ছত্র সমর্থন বজায় রাখা। রাষ্ট্র বাংলাদেশের বিপক্ষে উগ্র কট্টরপন্থী ধর্মীয় রাজনৈতিক শক্তিকে সুযোগ, সহযোগিতা ও আড়ালে-আবডালে সমর্থন না জোগানো।

হালের চীন সফরে বেইজিংয়ের অনুষ্ঠিত দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং বাংলাদেশের বৈদেশিক নীকি কার্যক্রমে বিদেশী হস্তক্ষেপ প্রত্যাখ্যানের ঘোষণা দেন। এই বক্তব্য সাদা চোখে না গভীর অন্যদৃষ্টিতে ব্যাখার দাবী রাখে।

তবে নাম উল্লেখ না করেই যারা একটু চোখ কান খোলা রেখে চলেন তাদের সহজেই অনুমেয় তিনি এই বক্তব্য দিয়ে কাকে এবং কি বোঝাতে চেয়েছেন। চীনের প্রেসিডেন্ট আরো বলেছেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি যেমনই হোক না কেন চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্তবন্ধু ও নির্ভরযোগ্য অংশীদার হিসেবে পাশে থাকবে বলে বক্তব্য দেন। উভয় দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা কোনো তৃতীয় পক্ষের বিরুদ্ধে নয় বলেও ঘোষণা করেন৷

এই বিষয়টির কূটনীতিক গুরুত্ব কম না আবার বৈশ্বিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভারসাম্যে বিস্তর ব্যাখ্যা বিশ্লেষণের সুযোগ থেকেই যায়। সেদিকে না গিয়ে আজকের পরাক্রমশালী বৈশ্বিক ভারসাম্যের রাজনীকিতে ক্ষমতাধর চীনের স্বপ্ন দ্রষ্টা মাও সে তুং এর একটি দৃষ্টিকোণ ও বক্তব্য দিয়ে শেষ করি।

মাও সে তুং বলে গেছেন, পৃথিবীর যেখানেই প্রাকৃতিক সম্পদ ও কাঁচামাল রয়েছে, সেখানেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তি হানা দেয়। তিনি মার্সকবাদী লেনিনবাদ তত্ত্বের বিশ্বাসে মনে করেন যে, হালের নয়া উপনিবেশিক শক্তিগুলো সম্পদশালী কিন্তু অপেক্ষাকৃত দুর্বল রাষ্ট্রগুলোতে সরাসরি হামলা করো না বটে তবে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক সামাজিক প্রভাব খাটিয়ে দুর্বল উন্নয়নশীণ দেশগুলোর রাষ্ট্রীয় সম্পদ শোষণ করে।

এটা মূলত নয়া উপনিবেশবাদ। যেখানে তৃতীয় বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রাকৃতিক সম্পদ ও খনিজের উপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে সাম্রাজ্যবাদী উপনিবেশিক শক্তিধর দেশগুলো নিজ দেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখে। এখানেই আশার কথা। তবে এই আশা তখনই আলোর মুখ দেখবে যখন ৫৪-৫৫ বছর বয়সী রাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্মের গৌরবময় মাহাত্ম্য একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে স্বীকার করবেন।

রাষ্ট্র বাংলাদেশের অস্তিত্ব শিকার করেই আঞ্চলিক শক্তিধরেরা তাদের আধিপত্যবাদের হিসেবে কষবেন তাতে চীনের লাভ। পুরো এশিয়ার অস্তিত্ব আর বৈশ্বিক সাম্রাজ্যবাদ ঔপনিবেশবাদ আগ্রাসনের পাতা ফাঁদ থেকে মুক্তি পাবে এতদ অঞ্চলের কয়েশ শত কোটি মানুষ। বৈশ্বিক ভারসাম্যের লাগাবে ছড়ি থাকবে চীন ভারত রাশিয়ার হাতে। বাংলাদেশসহ আফ্রিকা, ল্যাটিন আমেরিকার উন্নয়ন শীল দুর্বল কিন্তু সম্পদশালী রাষ্ট্রের কয়েক শত মানুষেরা মুক্তির আলোয় বাঁচবেন।

(এই বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই–এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: আমেরিকান ও আফ্রিকাএশিয়াচীনদক্ষিণ এশিয়াবাঙালি জাতিসত্তাভারত ও রাশিয়ারাজনীতি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

যে কারণে মেসির অনুশীলনে গোপনীয়তা চান মিয়ামি কোচ

আগস্ট ১৫, ২০২৬

৪০ এর পর পুরুষের নীরব স্বাস্থ্যঝুঁকি

আগস্ট ১৫, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত কলেজ শিক্ষকের মৃত্যু

আগস্ট ১৫, ২০২৬

নিখোঁজের একদিন পর শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

আগস্ট ১৫, ২০২৬

উপকূলীয় জনপদে বিশুদ্ধ পানি সংকট ও উত্তরণের গল্প

আগস্ট ১৫, ২০২৬
iscreenads
চ্যানেল আই অনলাইন লোগো, বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংবাদ পোর্টাল. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT