কানাডার জাতীয় নির্বাচনে দেশটির প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বাধীন লিবারেল পার্টি এগিয়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে সিবিসি ও সিটিভি নিউজ। যদিও সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন এখনও নিশ্চিত নয়।
সোমবার অনুষ্ঠিত নির্বাচনে এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফলে লিবারেল পার্টি ১৩৩টি আসনে এগিয়ে রয়েছে। সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের জন্য প্রয়োজন ১৭২টি আসন। অন্যদিকে প্রধান প্রতিপক্ষ কনজারভেটিভ পার্টি এগিয়ে রয়েছে ৯৩টি আসনে। এই অবস্থায় লিবারেলদের সরকার গঠনের জন্য ছোট দলের সমর্থনের প্রয়োজন হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।
নির্বাচনের দিন প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি ও তার স্ত্রী ভোট দেন। দেশের পশ্চিমাঞ্চল ব্রিটিশ কলম্বিয়ায় সর্বশেষ ভোট গ্রহণ হয়, যেখানে ফলাফল লিবারেল পার্টির সরকার গঠনের ভাগ্য নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে, নির্বাচনের আবহে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একাধিকবার তিনি কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম রাজ্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। নির্বাচনের দিনও সামাজিক মাধ্যমে ট্রাম্প বলেন, এই অঞ্চলটিকে সীমান্তবিহীন করলে আরও সুন্দর লাগবে দেখতে।
ট্রাম্পের এমন মন্তব্যকে উড়িয়ে দিয়েছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, কানাডা-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক এই নির্বাচনের অন্যতম আলোচ্য বিষয় হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে যখন দুই দেশই বাণিজ্য এবং শুল্কনীতি নিয়ে চাপের মধ্যে রয়েছে।
উল্লেখ্য, কানাডার দুই কোটি ৯০ লাখ ভোটার ছয়টি টাইম জোনে ভোট দিয়েছেন। কার্নির প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কনজারভেটিভ নেতা পিয়ের পলিভর মূলত অর্থনৈতিক সংকট এবং মূল্যবৃদ্ধি ইস্যুতে প্রচার চালিয়েছেন।
সূত্র: ডয়চে ভেলে








