বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে বাজারে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ পর্যন্ত হয়েছে। চালের দাম তুলনামূলক বেশি, মোটা চালের দামও ৬০ টাকার নিচে নেই।
আজ (১১ জুলাই) শুক্রবার বাজার ঘুরে দেখা গেছে, চাল ও কাঁচামরিচের পাশাপাশি সবজির দামও কিছুটা বেড়েছে। তবে পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও ডালের দাম স্থিতিশীল।
কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও কিছু জায়গায় বন্যার কারণে বাজারে সবজির দামে প্রভাব পড়েছে। সবজির দাম বেড়েছে কেজিতে দশ টাকার মতো। তবে সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি।
বাজারে ডিম, পেঁয়াজ, রসুন, আদা ও ডালসহ কিছু নিত্যপণ্যের দামে ক্রেতাদের স্বস্তি আছে। ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের তুলনায় অল্প বেড়েছে।
এবার চালের মৌসুমেও দাম তেমন কমেনি, বরং ঈদের পর থেকে আরো বাড়তি দামে চাল কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। চালের দাম কমাতে মিল ও বাজারে নিয়মিত তদারকির পরামর্শ দিয়েছেন ক্রেতারা।
কাঁচামরিচ আমদানি শুরু
দীর্ঘ আট মাস পর দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরু হয়েছে।
গেল বৃহস্পতিবার রাতে হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে কাঁচা মরিচ নিয়ে দুটি ট্রাক প্রবেশ করেছে। গঙ্গেস্বরি ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি ভারতীয় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ঝাড়খন্ড রাজ্য থেকে মরিচ বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে বলে জানা গেছে। আমদানিকারক বাংলাদেশের হিলি বন্দরের এনপি ইন্টারন্যাশনাল।
কয়েকদিনের মধ্যে দেশের বাজারে কাঁচা মরিচের সংকট দেখা দেওয়ায় ৪০ টাকা কেজির কাঁচা মরিচের দাম রাজধানী ঢাকায় ৩০০ এবং জেলা শহরে দেড়শ টাকায় উঠেছে।
জানা গেছে গত বছরের ১৫ নভেম্বর এই বন্দর দিয়ে সর্বশেষ কাঁচা মরিচ আমদানি করা হয়েছিল। দেশী মরিচ বাজারে উঠায় দাম কমে যাওয়ায় আমদানি বন্ধ করা হয়েছিল।
হিলি স্থলবন্দরের আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের সভাপতি সাখাওয়াত হোসেন শিল্পী জানান, চলতি বর্ষা মৌসুমে দেশে অতিবৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও ও বন্যার কারণে মরিচ খেত নষ্টের কারণে সংকট দেখা দিয়েছে। ইতোমধ্যে দাম নিয়ন্ত্রণহীণ হয়ে পড়েছে। তাই ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে আমদানি শুরু করেছে। আগামী সপ্তাহ থেকে পুরোদমে আমদানি শুরু হবে। এতে দেশের বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা করছেন তারা।







