প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমাদের কাছে ক্ষমতা কোনো ভোগের বস্তু না, বরং জনগণকে সেবা দেওয়ার একটা মাধ্যম। আমাদের কাছে ক্ষমতা হলো দেশে মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের একটা সুযোগ, মানুষের কল্যাণে কাজ করার সুযোগ।
রোববার ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ-চায়না ফেন্ডশিপ এক্সিভিশন সেন্টারে ২৮তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ৭ জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে জয়ী হয়ে আপনাদের সামনে উপস্থিত হতে পেরেছি, এজন্য আমি বাংলাদেশের জনগণের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই। তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোট দিয়ে আবার আমাদেরকে জয়ী করায়, তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। এজন্য বাংলাদেশের অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে সবার সহযোগিতা চাই।
তিনি বলেন, ৯৬ সাল থেকে যখন সরকার গঠন করেছি সেখান থেকে একটা প্রচেষ্টা, আর্থসামাজিকভাবে বাংলাদেশকে উন্নত করা। বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করা। বাংলাদেশের মানুষ যেন বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে চলতে পারে, সে পদক্ষেপ নেয়া।
গেল ৩ মেয়াদে আওয়ামী লীগের ব্যাপক উন্নয়নের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরইমধ্যে রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়ন হয়েছে; উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছে বাংলাদেশ। যা কার্যকর হবে ২০২৬ সাল থেকে। দেশের উৎপাদন বাড়াতে বগহুমুখী ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান তিনি।
আমদানি ও রফতানিতে ভারসাম্য আনতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, যেকোনো দুর্যোগ আসুক, তা মোকাবেলা করার সক্ষমতা আছে বাংলাদেশের। জানান, এবার বাংলাদেশের কূটনীতি হবে অর্থনীতি। এরই বিদেশি মিশনগুলোকে তা জানানো হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। বাণিজ্য মেলার উদ্বোধনী বক্তব্যে হস্তশিল্পজাত পণ্যকে ২০২৪ সালের বর্ষ পণ্য হিসাবে ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের কারণে কিছুটা সময় পিছিয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২৪ আজ শুরু হলো।
রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) জানিয়েছে, এবারের বাণিজ্য মেলার প্রবেশ টিকিট মূল্য গতবারের চেয়ে ১০ টাকা বাড়িয়ে ৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর শিশুদের টিকিটের মূল্য ২০ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩০ টাকা।
এবারের আয়োজনে বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্যাভিলিয়ন ও স্টলের সংখ্যা ৩৫১টি। এছাড়া দুই হলে ১৭৪টি স্টল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে থাকছে রেস্তোরাঁ, মসজিদ, ব্যাংক, এটিএম বুথ, শিশু পার্ক, মা ও শিশু কেন্দ্র।








