অভিনেত্রী হুমায়রা আসগরের মৃত্যু মামলা নিয়ে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের পুলিশ। এখন তার ব্যক্তিগত তথ্য ও যোগাযোগের নেটওয়ার্ক ঘেঁটে দেখছেন তারা।
সর্বশেষ গণমাধ্যম প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ জানিয়েছে হুমায়রার ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল ফোন, একটি ট্যাবলেট ও একটি ল্যাপটপ আনলক করা হয়েছে এবং এসব ডিভাইসের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এসব ডিভাইসের পাসওয়ার্ড পাওয়া গেছে অভিনেত্রীর ব্যক্তিগত ডায়েরিতে লেখা।
তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইতিমধ্যে মামলার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তির জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে এবং আরও দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, হুমায়রা নিয়মিত জিমে যেতেন এবং এক বিউটিশিয়ানের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতেন। পুলিশ জানিয়েছে, তারা হুমায়রার জিম প্রশিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যক্তিদের সঙ্গেও যোগাযোগ ও জিজ্ঞাসাবাদ করবেন।
এছাড়া তদন্ত কর্মকর্তারা তার ব্যাংক হিসাব ও যোগাযোগের রেকর্ড পর্যালোচনা করে ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে সম্ভাব্য সংযোগ খুঁজে দেখছেন।
গেল মঙ্গলবার (৮ জুলাই) করাচির ইত্তেহাদ কমার্শিয়াল এলাকার ফ্ল্যাট থেকে হুমায়রার মরদেহ উদ্ধার করে আদালতের বেইলিফ, যিনি বকেয়া ভাড়ার কারণে তাকে উচ্ছেদ করতে গিয়েছিলেন। দরজায় বারবার কড়া নাড়ার পরও সাড়া না পাওয়ায় দরজা ভেঙে ফ্ল্যাটে ঢুকে পাওয়া যায় পচাগলা মরদেহ।
প্রাথমিক ময়নাতদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, মরদেহ ছিল পচনের চূড়ান্ত স্তরে। বিশেষ করে নিচের অংশে মাংস পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গিয়েছিল এবং পোকামাকড় দেখা যাচ্ছিল। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় নয় মাস আগেই হুমায়রার মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর ছড়ায়, পরিবার নাকি মরদেহ গ্রহণে অনীহা প্রকাশ করেছে। যদিও পরিবার এই খবরটি অস্বীকার করেছে এবং অভিনেত্রীর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয় এবং লাহোরে গেল শুক্রবার (১১ জুলাই) ধর্মীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়। –দ্য কারেন্ট.পিকে








