প্রকাশনা সংস্থা ‘প্রকৃতি’র আয়োজনে সীমান্তের কবিখ্যাত ওবায়েদ মজুমদারের ‘বিশেষ দ্রষ্টব্য’ ও ‘নর্মদা রমণী’ নামের দুটি কাব্যগ্রন্থ উন্মোচন ও কবিতা আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কাঁটাবন কবিতা ক্যাফে-তে অনুষ্ঠানে লেখক-কবি-সাহিত্যিক ও কবির শুভাকঙ্খীদের মিলনমেলায় পরিণত হয়।
বিশিষ্ট কবি ও বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত রেজাউদ্দিন স্টালিনের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক ছিলেন কবি, গবেষক ও সাংবাদিক কাজল রশীদ খান।
সভাপতির বক্তব্যে কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন বলেন, ওবায়েদ মজুমদারের সঙ্গে যখন আমার পরিচয় হয়, তখন আমি বুঝতে পারিনি যে তিনি কবিতার ব্যাপারে এত সিরিয়াস। এখন মনে হয়েছে, না। কবি ওবায়েদ মজুমদার সামাজিক অব্যবস্থার বিরুদ্ধে কথা বলেছেন, তার মধ্যে একটি ইতিহাসচেতনা আছে। দ্রোহ, প্রেম আছে।
কবি সৈকত হাবিবের সঞ্চালনায় ওবায়েদ মজুমদারের কবিতা নিয়ে আলোচনা করেন কবি টোকন ঠাকুর, লেখক ও গবেষক ড. হালীম দাদ খান, লেখক ও চলচ্চিত্রকার ইরানী বিশ্বাস, কবি ও গবেষক ইমরান মাহফুজ, কবি শফিকুল হাসান, লেখক ও অনুবাদক ইস্পান্দার আরিয়ান, লেখক- সাংবাদিক শাহাদাত হোসেন তৌহিদ।
বক্তারা সবাই এ বিষয়ে একমত হন যে, ওবায়েদ মজুমদার প্রান্তে বসবাস করলেও তার কবিতায় দ্রোহ, প্রেম, বর্তমান সময়ের নানা অসংঙ্গতি ও সমস্যার বিষয়গুলো উঠে এসেছে। সীমান্তে বসে তিনি কবিতা ও সাহিত্যপ্রেমিদের অনুপ্রেরক হিসেবে কাজ করেছেন।
অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন কবিপত্মী ছাফিমা আক্তার, কবির শ্যালক সাউথইস্ট ব্যাংক কোনাবাড়ি শাখার ব্যবস্থাপক শাখাওয়াত হোসেন ডালিম ও তার স্ত্রী মমিসহ কবির বন্ধু ও শুভাকাঙ্খীরা।
প্রসঙ্গত; সত্তর দশকে আবির্ভূত কবি ওবায়েদ মজুমদারের জন্ম ১ জুন ১৯৫৪, ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব দেবপুর গ্রামে। কাব্যচর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ লাভ করেন ‘কাব্যকথায় হেমন্ত ২০২২ ’সম্মাননা।
এই কবি অন্যান্য বিষয়েও নৈপুণ্য ও দক্ষতা দেখিয়েছেন। সফল শিক্ষক হিসেবে জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়ে পেয়েছেন শিক্ষাবিষয়ক অনেক পুরস্কার। ক্রীড়া, কৃষি, চিংড়ি ও মৎস্যক্ষেত্রেও কৃতিত্বের জন্য পুরস্কার লাভ করেছেন তিনি।








