“আমার কপালের এ জায়গাটায় এখনও সেলাইয়ের দাগ আছে। কিন্তু তোমরা জান না এ সেলাইয়ের দাগ যার কারণে পড়েছিল তাকেও আমি বর্তমান মন্ত্রিসভায় রেখেছি।”
মঙ্গলবার গণভবনে নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সমঝোতা বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এমন বক্তব্য দেন। আর তা প্রকাশ হওয়ার পরই সাড়া পড়ে যায়। ফেসবুকে শুরু হয় অনুসন্ধান: ‘কোন মন্ত্রীর কারণে শেখ হাসিনার কপালে দাগ?’
ফেসবুকে অনেকেই প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যটি পোস্ট করেন। অনেকেই সেই মন্ত্রীর নাম জানতে চান। তবে কেউই সুনির্দিষ্টভাবে কোন মন্ত্রীর নাম উল্লেখ করেননি বা করতে পারেননি।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শফী আহামেদ ফেসবুকে লিখেন, “প্রধানমন্ত্রী ওনার কপালের ওপর থেকে চুল সরিয়ে ক্ষতচিহ্ন দেখিয়ে বলেন, আমার কপালের এ জায়গাটায় এখনও সেলাইয়ের দাগ আছে। কিন্তু তোমরা জান না এ সেলাইয়ের দাগ যার কারণে পড়েছিল তাকেও আমি বর্তমান মন্ত্রিসভায় রেখেছি।”
বেলা ৩ টার দিকে এই পোস্ট দেওয়ার পর এখন পর্যন্ত ৯ জন কমেন্ট করেছেন। অনেকেই ওই মন্ত্রীর নাম জানতে চেয়েছেন কমেন্টে। তবে কেউ সুনির্দিষ্টভাবে সেই মন্ত্রীর নাম উল্লেখ করতে পারেননি।
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাংগঠনকি সম্পাদক আশিকুল পাঠান সেতু ফেসবুকে লিখেন, “শামীম ওসমানের বক্তব্য শেষ হলে প্রধানমন্ত্রী তাকে বলেন, “তুমি মোট ৪১ মিনিট কথা বলেছ। তোমার দীর্ঘ বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শুনেছি। তুমি জেনে রাখ, আমি নীলকণ্ঠ। নীলকণ্ঠর মতোই বিষ পান করেও তা হজম করতে পারি। একপর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী তার কপালের ওপর থেকে চুল সরিয়ে ক্ষতচিহ্ন দেখিয়ে বলেন, আমার কপালের এ জায়গাটায় এখনও সেলাইয়ের দাগ আছে। কিন্তু তোমরা জান না এ সেলাইয়ের দাগ যার কারণে পড়েছিল তাকেও আমি বর্তমান মন্ত্রিসভায় রেখেছি। কারণ আমি ব্যক্তিগত লাভের জন্য রাজনীতি করি না। আমি দেশের মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেছি। যেটা করেছিলেন আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।”
— বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা।
জয়তু জননেত্রী………..”
তার এই পোস্টের নিচে এখন পর্যন্ত দশজন কমেন্ট করেছেন। অধিকাংশই প্রধামন্ত্রীর প্রশংসা করে লিখেছেন। একজন সেই মন্ত্রীর নাম জানতে চেয়েছেন। তবে সেই মন্ত্রীর নাম বলতে পারেননি কেউ।








