অস্ট্রিয়ান আল্পসের উপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় একজন প্যারাগ্লাইডারকে আঘাত করেছে একটি ছোট বিমান। এতে আরোহী ঘুরতে ঘুরতে মাটির দিকে পড়তে থাকেন, তবে তিনি তার জরুরি প্যারাশুট খুলে নিরাপদে অবতরণ করতে সক্ষম হন।
সোমবার (২৫ মে) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়।
গত শনিবার বিকেলে উত্তর অস্ট্রিয়ার প্যারাগ্লাইডিংয়ের জন্য জনপ্রিয় স্থান শ্মিটেনহোহে পর্বতের কাছে ঘটনাটি ঘটে।
সালজবার্গ স্টেট পুলিশের মতে, ৪৪ বছর বয়সী অভিজ্ঞ প্যারাগ্লাইডার সাবরিনা একটি ক্যামেরা নিয়ে উড়ছিলেন, এমন সময় একটি পর্যটকবাহী বিমান হঠাৎ তার মাথার মাত্র কয়েক ফুট উপর দিয়ে সরাসরি তার ক্যানোপির মধ্যে ঢুকে যায়।
প্যারাগ্লাইডারের ধারণ করা ফুটেজে দেখা যায়, ধাক্কা লাগার সাথে সাথে ডানাটি মাঝখান থেকে দু’ভাগ হয়ে যায়। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সাবরিনা সঙ্গে সঙ্গে ঘুরতে ঘুরতে চিৎকার করতে শুরু করেন। মূল ক্যানোপিটি ছিঁড়ে যাওয়ায়, তিনি তার রিজার্ভ প্যারাসুটটি ধরেন এবং পড়ার সময় সেটি খুলতে সক্ষম হন।
অস্ট্রিয়ান পুলিশ হেলিকপ্টারযোগে ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে চিকিৎসার জন্য একটি স্থানীয় বিমানবন্দরে নিয়ে যায়। এনবিসি নিউজের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, “মোটর প্লেনটির প্রপেলার প্যারাসুটটিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে, যার ফলে অভিজ্ঞ এই প্যারাসুট চালক তার রিজার্ভ প্যারাসুটটি খোলেন।”
পুলিশ জানায়, তিনি এবং পাইলট উভয়েই গুরুতর আঘাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন। জেল আম সি বিমানবন্দরে অবতরণের পর, ২৮ বছর বয়সী পাইলট কর্তৃপক্ষকে জানান যে, তিনি সংঘর্ষটি এড়াতে পারেননি।
পরে ইন্সটাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে প্যারাগ্লাইডার জানান, কিছু জায়গায় সামান্য ক্ষত ছাড়া তিনি তেমন গুরুতর কোন আঘাত পাননি।
এরপর তার শেয়ার করা ফুটেজটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে, যা যৌথ আকাশসীমার ঝুঁকি এবং জরুরি সরঞ্জামের গুরুত্ব তুলে ধরেছে।








