করোনাকালের পর থেকেই সিনেমা হল বিমুখ হয়েছেন দর্শকদের একাংশ, যার ফলে বেড়েছে ওটিটি মাধ্যমের চাহিদা। এখন অনেকেই ঘরে বসে সিনেমা কিংবা সিরিজ দেখতে ভালোবাসেন। কিন্তু সেটার একমাত্র কারণ কি সিনেমা হলে দর্শক কমে যাওয়া নাকি অন্য কিছু?
ইওয়াই এর ‘দ্য রব রিপোর্ট’ এবং ‘দ্য ইন্টারনেট অ্যান্ড মোবাইল অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া’ তাদের রিপোর্টে জানাচ্ছে, ব্যাপারটা ঠিক তেমন না। ২০২৩ সালে পাইরেসির কারণেই ২২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার লোকসান গিয়েছে এই ইন্ডাস্ট্রির। সেখানেই জানানো হয়েছে, ভারতের প্রায় ৫১ শতাংশ বিনোদনের গ্রাহকরা পাইরেটেড জায়গা থেকে সিনেমা বা সিরিজ দেখে। আর এর মধ্যে সিনেমার থেকেও বেশি পরিমাণ আছে সিরিজের।
দ্য রব রিপোর্ট বলেছে যে, ভারতে গ্রাহক তথা দর্শকদের ৫১ শতাংশই অবৈধভাবে ছবি বা ওয়েব সিরিজ হাতে পেয়ে যাচ্ছেন। মোট পাইরেটেড পণ্যের মধ্যে ৬৩ শতাংশ অনলাইন প্লাটফর্মে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আয়ের দিক থেকে দেশের চতুর্থ বৃহত্তম শিল্প হলো এই বিনোদন।
এছাড়াও বিভিন্ন সিনেমা হলে ছবি মোবাইলে রেকর্ড করার ফলে ১৩ হাজার ৭০০ কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে। ওটিটি প্লাটফর্ম থেকে পাইরেসির কারণে ৮ হাজার ৭০০ কোটি রুপির ক্ষতি হয়েছে। এর ফলে দেশটির সরকারও ৪ হাজার ৩০০ কোটি রুপির জিএসটি সংগ্রহের ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। আসলে কপিরাইট আইন লঙ্ঘন করে একটি ছবি বা ওয়েব সিরিজ বা গান যদি সংগ্রহ করা হয়, তাহলে সেটিই পাইরেসি। সম্প্রতি এই প্রবণতা অনেক বেড়েছে।
জানা গেছে, ১৯ থেকে ৩৪ বছর বয়সীদের মধ্যে এই পাইরেসি করা এবং পাইরেটেড মাধ্যম থেকে সিনেমা, সিরিজ নামিয়ে দেখার প্রবণতা বেশি। এটা মূলত অতিরিক্ত বেশি সাবস্ক্রিপশন ফির জন্য বলেই তারা জানিয়েছেন। আবার অনেকেই কোন ওটিটি মাধ্যমের সাবস্ক্রিপশন নিতে চান না, তাই তখন পাইরেসি বেছে নেন।- হিন্দুস্থান টাইমস বাংলা







