ভারতের উত্তরাখণ্ডের একটি সুড়ঙ্গের ভিতর গত ১০ দিন ধরে সুড়ঙ্গ ধসের কারণে আটকে পড়া শ্রমিকদের ছবি একটি এন্ডোস্কোপি ক্যামেরার সাহায্যে ধারণ করা সম্ভব হয়েছে। ক্যামেরাটি ছয় ইঞ্চি পাইপের মাধ্যমে সুড়ঙ্গের ভেতর পাঠানো হয়।
আজ (২১ নভেম্বর) মঙ্গলবার ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, একটি পাইপের মাধ্যমে সুড়ঙ্গে ক্যামেরা প্রবেশ করিয়ে উত্তরকাশী টানেলে আটকে থাকা শ্রমিকদের প্রথম ভিজ্যুয়াল ধারণ করা সম্ভব হয়েছে। গতকাল রাতে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে শ্রমিকদের খাদ্য সামগ্রী পাঠানোর জন্য একটি পাইপ ঠেলে দেওয়া হয়, এই পাইপের মাধ্যমেই ক্যামেরা প্রবেশ করিয়ে শ্রমিকদের ছবি ধারণ করা সম্ভব হয়েছে।
উদ্ধার অভিযানের ইনচার্জ কর্নেল দীপক পাতিল বলেন, গত রাতে পাইপ স্থাপনের পর আটকে পড়া শ্রমিকদের কাঁচের বোতলে করে খিচুড়ি পাঠানো হয়েছে। ১০ দিন পর এই প্রথম তাদের গরম খাবার পাঠানো হয়েছে। এর আগে পুরাতন পাইপের মাধ্যমে তাদের কাছে কেবল শুকনো ফলই পাঠানো যেত। এরপর পাইপের মাধ্যমে শ্রমিকদের কাছে মোবাইল এবং চার্জারও পাঠানো হবে।
এলাকার ভূ-সংস্থান এবং পাথরের প্রকৃতসহ বেশ কয়েকটি চ্যালেঞ্জের কারণে শ্রমিকদের উদ্ধারের প্রচেষ্টা বারবার ব্যর্থ হওয়ার পর এই বিষয়টিকে একটি বড় উন্নয়ন হিসেবে দেখা হচ্ছে। উদ্ধার কর্মকর্তারা ওয়াকি টকিজ বা রেডিও হ্যান্ডসেটের মাধ্যমে কয়েকজন শ্রমিকের সাথে কথা বলেছেন। প্রকাশ পাওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, তারা আটকে পড়া শ্রমিকদের ক্যামেরার সামনে আসতে বলছেন।
উল্লেখ্য, গত (১২ নভেম্বর) রোববার সকালে ভারতের উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশী জেলায় সিল্কিয়ারা এবং ডন্ডালহগাঁওের মধ্যে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গের একাংশ ভেঙে পড়ে। এই ঘটনায় ওই সুড়ঙ্গের মধ্যে আটকে পড়েছেন ৪০ জন শ্রমিক। তাদের উদ্ধারের জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত তাদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।








