নিয়মিত অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর চোটে টেস্টে নেতৃত্বে এসেছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। নেতৃত্বের দ্বিতীয় টেস্টেই দুর্দান্ত জয়। সেটিও ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে। মিরাজের কাছে যা বিশাল প্রাপ্তি। এটি মুগ্ধ করেছে টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্সকেও।
কিংসটনের স্যাবিনা পার্কে প্রথম ইনিংসে ১৬৪ রান করেও ১৮ রানের লিড তোলে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ইনিংসে লিডকে ২৮৬ রানে বর্ধিত করার ব্যাপারটা বাংলাদেশের জন্য ছিল দারুণ। ২৮৭ রানের লক্ষ্য দিয়ে ক্যারিবীয়দের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে ১৮৫ রানে অলআউট করার কৃতিত্ব টাইগার বোলারদের।
সঙ্গে অধিনায়ক হিসেবে দ্বিতীয় ম্যাচেই ঘুরে দাঁড়িয়েছে মিরাজ। ২৭ বর্ষী অলরাউন্ডারের নেতৃত্ব মুগ্ধ করেছে ৬১ বর্ষী ক্যারিবীয় কোচ সিমন্সকে।
বলেছেন, ‘আমি তাকে দেখে মুগ্ধ হয়েছি। অল্প সময়ের নোটিশে শান্তর থেকে দায়িত্ব নিয়েছে। দায়িত্বটি নিয়েছে ও দলকে চালিয়ে নিয়েছে। মেহেদী ও তাইজুল একে অপরের পরিপূরক হিসেবে খেলেছে। মিরাজ কিছুটা দ্রুতগতিতে রান তুলেছে, সে ভিন্ন ভিন্ন কৌশল ব্যবহার করেছে।’
শুধু মিরাজের নেতৃত্বই নয়, দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে দলের অন্যদেরও ছিল জয়ের মনোভাব, বলছেন কোচ।
‘ব্যাটাররা যে ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এসেছিল তা পছন্দ করেছি। শেষ কয়েক ম্যাচে তাদের টিকে থাকার মানসিকতা দেখা গেছে। তৃতীয় দিনে দেখলাম ওরা বলছে, ‘আমরা এখানে খেলতে এসেছি।’ এমন মনোভাব আমি পছন্দ ও উপভোগ করি। নিশ্চিত করেছি, তারা জানে যে এখন থেকে আমাদের এভাবেই খেলতে হবে। টেস্ট জয়ের জন্য তরুণ খেলোয়াড়রা অপেক্ষায় ছিল। প্রথম টেস্ট হারের পর তাদের কামব্যাক করতে দেখে ভালো লাগছে। এটা আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের।’






