বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল এশিয়ান কাপের মূলপর্বের টিকিট কেটেছে বেশ কদিন আগে। লাল-সবুজদের অনূর্ধ্ব-২০ মেয়েরাও রেখেছে ধারাবাহিকতা। তারাও কেটেছে বয়সভিত্তিক এশিয়ান কাপের মূলপর্বের টিকিট। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের হালনাগাদেও মেয়েরা দল দেখিয়েছে চমক। ২৪ ধাপ উপরে এখন তাদের অবস্থান। এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত ইংলিশ কোচ পিটার বাটলার।
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সাক্ষাৎকারে বাটলার বলেছেন, ‘সব আলোচনা সমালোচনা পেছনে রেখেই বলছি, মেয়েদের উন্নতিতে আমি বেশ গর্বিত। হিসাব-নিকাশ কষে বলাতেই অনূর্ধ্ব-২০ দলের শেষ ম্যাচে সাউথ কোরিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে মেয়েরা খেই হারিয়ে ফেলে। অবশ্য মেয়েদের অনেকেই চোট, জ্বর ও অনেক সমস্যায় জর্জরিত ছিল।’

‘তিন-চার ম্যাচ যাই হোক আমাদের যা লক্ষ্য ছিল তা পূরণ করা হয়েছে। অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবলের অন্যতম দল সাউথ কোরিয়ার বিপক্ষে ৬-১ এর ব্যবধানে হার থেকেও শিক্ষা নেয়া হয়েছে। তারা শেষ সময়ে বাজিমাত করে দেখিয়েছে। অবশ্য নিশ্চিত করতে পারি ভালো কর্ম পরিবেশ ও মেয়েদের থেকে সেরাটা বের করে নিয়ে আসার চেষ্টা করেছি। ভালো পরিবেশও সৃষ্টি করতে পেরেছি। ’
মেয়েদের কোচ যোগ করেন, ‘বিশ্বাস করি যে ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের একলাফে ১২৮ থেকে ১০৪এ বাংলাদেশ। অবশ্যই আমাদের দ্রুত উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখতে বাস্তবধর্মী হতে হবে। প্রতিযোগিতামূলক খেলায় ভালো করতে সবার প্রতিনিয়ত জয়ের ক্ষুধা, পরিশ্রম অব্যাহত রাখতে হবে। এটাই যাতে ১০০এর নিচে নেমে আসে।’

এএফসি এশিয়ান কাপ অনূর্ধ্ব-২০ বাছাইয়ে ভিয়েনতিয়েনে প্রথম ম্যাচে লাওসকে ৩-১ গোলে হারিয়েছিল বাংলাদেশ। আফঈদা খন্দকারের দল দ্বিতীয় ম্যাচে পূর্ব তিমুরকে ৮-০ গোলে হারায়। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে সাউথ কোরিয়ার বিপক্ষে পিটার বাটলারের শিষ্যরা হজম করে ৬টি গোল। দুটি জয় নিয়ে ৬ পয়েন্ট অর্জন করে বাংলাদেশ।
বাছাইয়ে ৩৩টি দল আট গ্রুপে ভাগ হয়ে খেলেছে এবারের আসর। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ৮ দল সরাসরি জায়গা করে নিয়েছে মূল আসরে। গোল ব্যবধানে সেরা তিন রানার্সআপে থেকে বাংলাদেশও জায়গা করে নিয়েছে ২০২৬ সালে থাইল্যান্ডে হতে চলা মূলপর্বের খেলায়।







