সৌদি সরকারের ‘ভিশন ২০৩০’ এর বাস্তবায়নে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশটিকে স্থানীয় এবং বিদেশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার লক্ষ্যে পর্যটনসহ ব্যাপক পরিবর্তন ঘটিয়েছে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে। তেলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় উৎপাদনশীল পণ্যে শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার লক্ষ্যে হাজারো কোটি রিয়াল বিনিয়োগ করেছে বর্তমান ক্রাউড প্রিন্স মোহাম্মদ বিন এর নেতৃত্বে রাজকীয় সৌদি সরকার। সৌদি সরকারের উদ্যোগে উন্মুক্ত পরিবেশে সৌদি আরবে এই অনুষ্ঠানগুলোতে বিশ্বের নামিদামি শিল্পীরা পারফর্ম করার প্রতিযোগিতায় নেমেছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশ সৌদি আরবের পর্যটনশিল্পে বিনিয়োগ করছে।
প্রতিবছরের ন্যায় এবারও আজ থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ,ভারত, ফিলিপিন সুদানসহ চারটি দেশের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতিকে স্থানীয় এবং প্রবাসীদের মাঝে তুলে ধরার আয়োজন “পাসপোর্ট টু দ্য ওয়ার্ল্ড’। বাংলাদেশ থেকে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করছেন জেমস, পড়শি, ঐশীসহ বিভিন্ন শিল্পীরা। সাথে থাকবেন স্থানীয় শিল্পীরা।
এবছর সৌদি সরকার ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের প্রতিপাদ্য হচ্ছে বিশ্বের কাছে আপনার পাসপোর্ট অর্থাৎ “পাস টু ওয়ার্ল্ড”। স্থানীয় এবং প্রবাসীদের মাঝে সৌদি সরকারের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট অথরিটি একই ছাতার নিচে বাংলাদেশসহ চারটি দেশের ঐতিহ্যবাহি সংস্কৃতির মেলবন্ধন করেছে।
গতকাল জেদ্দার নভো হোটেলের বলরুমে এক প্রেস কনফারেন্সে এমনটি তুলে ধরেছেন কর্তৃপক্ষ। কনফারেন্সে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেটর কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা, এন এস আই কর্মকর্তা এ এস এম সায়েম, ফিলিপিন,ভারতীয় এবং সুদানের কনসাল জেনারেলসহ সহ স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম এর কর্মীরা।
আজ বুধবার থেকে এবছরের সিজন শুরু হলেও ৭ থেকে ১০ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কালচার অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হবে ঐতিহ্যবাহী খাবার, গার্মেন্ট ও কুটির শিল্পে স্টল এর মাধ্যমে। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ থেকে নগর বাউল জেমস, পড়শি, ঐশী গান পরিবেশন করবেন। সাথে থাকবেন প্রবাসী শিল্পী আকিলাসহ স্থানীয় অন্য শিল্পীরাও।
আয়োজকরা বলছেন বাংলাদেশের শিল্প সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হবে এসব অনুষ্ঠানে।
সৌদি আরবের বর্তমান পরিবেশে শুধু প্রবাসীদের আনন্দ বিনোদন দেয়া নয়, দুটি দেশের সংস্কৃতি বিনিময়ের যে সুযোগ এসেছে তাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন বিশেষ উদ্যোগ বলে মনে করছেন জেদ্দায় নিযুক্ত কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সৈয়দা নাহিদা হাবিবা। তিনি বলেন, এই খাতেও ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।








