গত জানুয়ারিতে ফিফা দ্য বেস্ট মঞ্চে, ২০২৩ সালের জন্য ফিফার বর্ষসেরাদের হাতে ট্রফি তুলে দেয়া হয়। ফুটবলে অসামান্য অবদানের জন্য লন্ডনের হ্যামারস্মিথ অ্যাপোলোতে ফিফার বিশেষ পুরস্কারে ভূষিত হন ব্রাজিল নারী দলের কিংবদন্তি মার্তা। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে মাস দেড়েক আগে অবসর নিলেও আসন্ন প্যারিস অলিম্পিকে তাকে দেখা যাবে।
কোচ আর্থার ইলিয়াস ১৮ সদস্যের স্কোয়াডে মার্তাকে রেখেছেন। ৩৮ বর্ষী তারকা ষষ্ঠবারের মতো অলিম্পিকে অংশ নিতে চলেছেন। ব্রাজিল জার্সিতে ১৭৫ ম্যাচে সর্বাধিক ১১৬ গোলের মালিক তিনি। ইতিহাসের অন্যতম সেরা নারী খেলোয়াড় হিসেবে বিবেচিত হন, কুইন মার্তা নামে সমাদৃত তিনি। আগেই জানিয়েছিলেন, অলিম্পিকে খেলার পর ব্রাজিলের জার্সি তুলে রাখবেন।
গত এপ্রিলে অবসরের কথা জানিয়ে মার্তা বলেছিলেন, ‘যদি আমি অলিম্পিকে যাই, প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করব। কারণ আমি অলিম্পিকে যাই কিংবা না যাই, জাতীয় দলের সাথে এটাই আমার শেষ বছর। ২০২৫ সাল থেকে অ্যাথলেট হিসেবে জাতীয় দলে মার্তা আর থাকবে না। আমি এ ব্যাপারে বেশ শান্ত আছি। কারণ তরুণ ক্রীড়াবিদদের যে উন্নতি হচ্ছে, তাতে আমি অত্যন্ত আশাবাদী।’
মেয়েদের বিশ্বকাপে মার্তা সর্বাধিক ১৭ গোল করেছেন। যদিও কখনো বিশ্বকাপ জিততে পারেননি। ২০০৭ সালের আসরের ফাইনালে ওঠা ব্রাজিল সাংহাইয়ে জার্মানির কাছে ২-০ গোলে হেরেছিল। তিনবার জাতীয় দলের হয়ে কোপা আমেরিকা শিরোপার স্বাদ পেয়েছেন। ২০০৪ সালে অ্যাথেন্স এবং ২০০৮ সালের বেইজিং অলিম্পিকে ব্রাজিলের হয়ে রৌপ্য পদক গলায় ঝুলিয়েছিলেন। অলিম্পিকে মেয়েদের ফুটবল ইভেন্টে তার নামের পাশে আছে দ্বিতীয় সর্বাধিক ১৩ গোল। প্যারিসে আর দুটি গোল পেলে স্বদেশি ক্রিস্টিয়ানকে ছাড়িয়ে গড়বেন নতুন রেকর্ড।
মার্তা ক্লাব ক্যারিয়ার শুরু করেন ভাস্কো দা গামার সাথে। সুইডিশ দল উমিয়া আইকে, টায়রেসো এফএফ এবং রোজেনগার্ডে খেলেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লস অ্যাঞ্জেলেস সোল, ওয়েস্টার্ন নিউ ইয়র্ক ফ্ল্যাশ এবং গোল্ড প্রাইডের হয়ে মাঠে নেমেছেন।
অলিম্পিকে মেয়েদের ফুটবল ইভেন্টে সি-গ্রুপে পড়া সেলেসাওরা ২৫ জুলাই নাইজেরিয়ার বিপক্ষে অভিযান শুরু করবে। দলটির অপর গ্রুপসঙ্গী জাপান ও বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন।







