পাকিস্তান ইরানের ওপর ইসরায়েলের সাম্প্রতিক সামরিক আগ্রাসনকে ‘অন্যায় ও অবৈধ’ আখ্যা দিয়ে জাতিসংঘে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। একইসঙ্গে ইসলামাবাদ ইরান সরকারের ও জনগণের প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করেছে দেশটি।
শুক্রবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে পাকিস্তানের স্থায়ী প্রতিনিধি অ্যাম্বাসাডর আসিম ইফতেখার আহমদ বলেন, ইসরায়েলের এই আগ্রাসন শুধু মধ্যপ্রাচ্যের নয়, বরং আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা এবং স্থিতিশীলতার জন্যও গুরুতর হুমকি সৃষ্টি করছে। এই আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। নিরাপত্তা পরিষদের উচিত অবিলম্বে এই হামলা বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
জাতিসংঘের রাজনৈতিক বিষয়ক আন্ডার-সেক্রেটারি রোজমেরি ডিকারলো বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উত্তেজনা যে কোনো মূল্যে এড়ানো উচিত। এ ধরনের পরিস্থিতি শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও হুমকি হয়ে উঠতে পারে।ওমানে সপ্তাহান্তে নির্ধারিত ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপ বাতিল হয়েছে, যা কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর একটি বড় আঘাত।
আসিম ইফতেখার বলেন, এই সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান হচ্ছে কূটনৈতিক সংলাপ ও আলোচনার মাধ্যমে শান্তিপূর্ণ সমঝোতা। ইসরায়েলের এই আক্রমণ যেমন অনৈতিক, তেমনি আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উচিত দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে এই আগ্রাসনের লাগাম টানা।
পাকিস্তান, চীন ও রাশিয়া ইরানের এই অনুরোধকে সমর্থন জানিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকের পক্ষে অবস্থান নেয়।








