ভারতের সেনাবাহিনী দাবি করছে, পাকিস্তান থেকে ভারত-শাসিত কাশ্মিরের উধমপুর এবং পাঞ্জাবের পাঠানকোটের তিনটি সামরিক স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র আর ড্রোন দিয়ে হামলা চালানো হয়েছে। তবে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ভারতের এই অভিযোগ নাকচ করে বলেছেন, ভারত শাসিত কাশ্মীরে কোনো হামলার দায় তার দেশের নয়।
আজ (৯ মে) শুক্রবার প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বিবিসি জানিয়েছে, ভারতীয় সেনাবাহিনী তাদের এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছে, ওইসব ‘হামলা’র ফলে তাদের কোনোরকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি এবং হামলাগুলো নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। এছাড়া ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবী করছে, জম্মু, পাঠানকোট আর উধমপুরে সামরিক ঘাঁটির ওপরে পাকিস্তানের দিক থেকে ড্রোন আর ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছিল। এইসব হামলা রুখে দেওয়া গেছে। কোনও জান মালের ক্ষতি হয় নি।
চন্ডীগড় শহরের প্রশাসন বলছে, বিমান হামলার সঙ্কেত দিতে সাইরেন বাজানো হচ্ছে এবং দ্রুত ব্ল্যাক আউট করে দেওয়া হচ্ছে। জম্মুরই আরেক শহর রাজৌরিতে প্রশাসন ব্ল্যাক আউট করে দিতে সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করেছে। জম্মুর বিমানবন্দর থেকে বিস্ফোরণের খবর আগেই পাওয়া গিয়েছিল।
জম্মু শহরের এক বাসিন্দা বিবিসিকে জানিয়েছিলেন যে বিমানবন্দরের কাছে তিনি নিজে ৬টি বস্তুকে অবতরণ করতে দেখেছেন। স্থানীয়রা জানান, পুরো শহর অন্ধকার, দোকান বাজার বন্ধ। হামলার সঙ্কেত দিতে সাইরেন বাজা শুরু হতেই মানুষ দৌড়াদৌড়ি শুরু করেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা দূরের কাঠুয়া থেকেও বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। সেখানেও ব্ল্যাক আউট চলছে।
এর আগে বিবিসির সংবাদদাতা দিব্যা আরিয়া জানিয়েছিলেন যে, জম্মু অঞ্চলের বেশ কয়েকটি এলাকা থেকে বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসিকে জানিয়েছেন, পুরো জম্মু শহরই অন্ধকার করে দেয়া হয়েছে।








